Biography the Father of Bangladeshi People.
The Greatest Leader in the World,
Sheikh Mujibur Rahman.
বাঙালি এক সংগ্রামী জাতির নাম। এদেশের মানুষ কখনো খাবারের সাথে, কখনো দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে বেঁচেছে। কখনো বা নিজের মাতৃভাষা ও মাতৃভূমির জন্য জীবন দিয়েছে। তাই তারা অল্পতে ভেঙ্গে পড়ে না। তাদের আছে দৃঢ় মনোবল। যা তাদেরকে কোথাও মাথা নিচু করতে শেখায় নি।
ব্রিটিশ শাসনের পর এদেশের মানুষ স্বাধীন ভাবে বাঁচতে চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ভারতবর্ষের বিভক্তি বাঙালিদের আবার পরাধীন করে পেলেছে। পাকিস্তানের নানা অন্যায় অবিচার এদেশের মানুষের পিঠের উপর দিয়ে গিয়েছে। তাই এই জাতি আবারও প্রতিবাদী হয়ে উঠে। ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি এই জাতি পুরো দুনিয়াকে দেখিয়ে দিল আমরা মায়ের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে দিবো না। আমরাও পারি আমাদের মাতৃভাষার সম্মান রক্ষা করতে।
তারই মাঝে বাঙালি জাতি পেল তার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তানকে। যে এই জাতি এই দেশকে আগলে ধরেছে। যে দুনিয়ায় না আসলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না। যে মানুষকে শিখিয়েছে কিভাবে তার অধিকার চিনিয়ে নিতে হবে জালেমের থেকে। তিনি হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব আমাদের স্বাধীনতার রক্তিম সূর্যটা চিনিয়ে আনতে প্রেরণা যুগিয়েছে। এই জাতির জন্য অসংখ্যবার জেলে থেকেছেন। ত্যাগ করেছেন জীবনের মহামূল্যবান সব সময়।
আসুন তার পরিচয়টি আবার স্মৃতিচারণ করি
জন্মঃ-
১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জ এর টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর পিতা শেখ লুৎফর রহমান এবং মাতা সায়েরা খাতুন।
ছোট বেলা থেকেই তিনি ছিলেন সৎ ও প্রতিবাদী মানুষ। কোথাও অন্যায় অবিচার দেখলে চুপ থাকতে পারতেন না। তার মাঝে ছোটবেলা থেকেই নেতৃত্বের গুণাবলি ছিল। তাই তিনি ৭ই মার্চের সেই সংগ্রামী বক্তব্য দিতে পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছিলেন।
শিক্ষাঃ-
তিনি ম্যাট্রিক দেন গোপালগঞ্জের মিশনারী স্কুল থেকে। আইএ দেন কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে এবং বিএ করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তাছাড়াও তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে অধ্যয়ন করেন।
পড়াশোনা তে একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তার মেধা, বুদ্ধি ও শ্রম দিয়ে যুদ্ধ বিধ্বস্ত নতুন দেশকে সুন্দর ভাবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। তারই হাত ধরে একটি সদ্য নতুন দেশ ঘুরে দাড়াতে সাহস দেখিয়েছিল। তিনিই স্বপ্ন দেখিয়েছেন সোনার বাংলা গড়ার।
কর্মজীবন/ রাজনৈতিক জীবনঃ-
★১৯৪৯ সালে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠাকালীন তিনি যুগ্ম সম্পাদক মনোনীত হন।
★১৯৫৩ সালের ৯ জুলাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
★ ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোর সম্মেলনে বাঙালী জাতির সনদ ঐঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন।
★১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্সএর জনসমুদ্র থেকে ঘোষণা করেন, " এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।"
★১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
★ ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহন করেন।
রাজনীতি তে তিনি ছিলেন একজন বলিষ্ঠ নেতা। যার নেতৃত্ব বাঙালি জাতি সারাজীবন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। তিনি একজন অস্প্রদায়িক চেতনার মানুষ ছিলেন।
সাহিত্যকর্মঃ-
★অসমাপ্ত আত্মজীবনী (২০১২)
★এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম
★ কারাগারের রোজনামচা (২০১৭)
বঙ্গবন্ধু ছিলেন সাহিত্যে প্রেমী মানুষ। সাহিত্যে তার রক্তের সাথে মিশে ছিল। তাইতো তিনিও লিখেছেন।
পুরস্কার ও সম্মাননাঃ-
★ বাঙালী জাতিসত্তা আন্দোলনে ও তার নেতৃত্বে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় তিনি " জাতির পিতা " হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেন।
★ ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে তিনি " বঙ্গবন্ধু " উপাধিতে ভুষিত হন।
★১৯৭২ সালের ১৮ অক্টোবর তিনি বিশ্বশান্তি পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত " জুলিও কুরি" পুরস্কারে ভুষিত হন।
তার সবচেয়ে বড় পুরষ্কার তো হলো এদেশের কোটি মানুষের ভালোবাসা। তিনি বাঙালির মন জয় করে নিয়েছেন। আর এটাই তার জীবনের সব চেয়ে বড় স্বার্থকতা।
জীবনাবসানঃ-
১৫ আগস্ট ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে সামরিক বাহিনীর হাতে সপরিবারে নিহত হন।
বাঙালি তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভূলটি করেছে ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট। লজ্জিত আমরা হে মহান পিতা। অকৃতজ্ঞ এই জাতি তার শ্রেষ্ঠ সন্তান কে সপরিবারে হত্যা করে দুনিয়ার বুকে এক কলঙ্ক অধ্যায়ের জন্ম দিয়েছে। যতদিন এই বাঙালি জাতি থাকবে ততদিন শেখ মুজিবের কাছে তারা ঋণী ও লজ্জিত থাকবে।
আজ ১৮ই মার্চ, গতকাল ১৭ই মার্চ তার ১০০ তম জন্মদিন অতিবাহিত হলো। বাংলাদেশ সরকার দিনটিকে অনেক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে উদযাপন করেছে। মুজিব বর্ষ হিসাবে ঘোষণা দেওয়া হলো।
আজ তুমি নেই কিন্তু তোমার অস্তিত্ব এখনো বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যমান। তোমার দেখানো পথেই হাটছে তোমার রেখে যাওয়া সেই সোনার বাংলা। হে মাহান পিতা ক্ষমা করো আমাদের।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
ব্রিটিশ শাসনের পর এদেশের মানুষ স্বাধীন ভাবে বাঁচতে চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ভারতবর্ষের বিভক্তি বাঙালিদের আবার পরাধীন করে পেলেছে। পাকিস্তানের নানা অন্যায় অবিচার এদেশের মানুষের পিঠের উপর দিয়ে গিয়েছে। তাই এই জাতি আবারও প্রতিবাদী হয়ে উঠে। ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি এই জাতি পুরো দুনিয়াকে দেখিয়ে দিল আমরা মায়ের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে দিবো না। আমরাও পারি আমাদের মাতৃভাষার সম্মান রক্ষা করতে।
তারই মাঝে বাঙালি জাতি পেল তার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তানকে। যে এই জাতি এই দেশকে আগলে ধরেছে। যে দুনিয়ায় না আসলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না। যে মানুষকে শিখিয়েছে কিভাবে তার অধিকার চিনিয়ে নিতে হবে জালেমের থেকে। তিনি হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব আমাদের স্বাধীনতার রক্তিম সূর্যটা চিনিয়ে আনতে প্রেরণা যুগিয়েছে। এই জাতির জন্য অসংখ্যবার জেলে থেকেছেন। ত্যাগ করেছেন জীবনের মহামূল্যবান সব সময়।
আসুন তার পরিচয়টি আবার স্মৃতিচারণ করি
জন্মঃ-
১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জ এর টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর পিতা শেখ লুৎফর রহমান এবং মাতা সায়েরা খাতুন।
ছোট বেলা থেকেই তিনি ছিলেন সৎ ও প্রতিবাদী মানুষ। কোথাও অন্যায় অবিচার দেখলে চুপ থাকতে পারতেন না। তার মাঝে ছোটবেলা থেকেই নেতৃত্বের গুণাবলি ছিল। তাই তিনি ৭ই মার্চের সেই সংগ্রামী বক্তব্য দিতে পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছিলেন।
শিক্ষাঃ-
তিনি ম্যাট্রিক দেন গোপালগঞ্জের মিশনারী স্কুল থেকে। আইএ দেন কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে এবং বিএ করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তাছাড়াও তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে অধ্যয়ন করেন।
পড়াশোনা তে একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তার মেধা, বুদ্ধি ও শ্রম দিয়ে যুদ্ধ বিধ্বস্ত নতুন দেশকে সুন্দর ভাবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। তারই হাত ধরে একটি সদ্য নতুন দেশ ঘুরে দাড়াতে সাহস দেখিয়েছিল। তিনিই স্বপ্ন দেখিয়েছেন সোনার বাংলা গড়ার।
কর্মজীবন/ রাজনৈতিক জীবনঃ-
★১৯৪৯ সালে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠাকালীন তিনি যুগ্ম সম্পাদক মনোনীত হন।
★১৯৫৩ সালের ৯ জুলাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
★ ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোর সম্মেলনে বাঙালী জাতির সনদ ঐঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন।
★১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্সএর জনসমুদ্র থেকে ঘোষণা করেন, " এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।"
★১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
★ ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহন করেন।
রাজনীতি তে তিনি ছিলেন একজন বলিষ্ঠ নেতা। যার নেতৃত্ব বাঙালি জাতি সারাজীবন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। তিনি একজন অস্প্রদায়িক চেতনার মানুষ ছিলেন।
সাহিত্যকর্মঃ-
★অসমাপ্ত আত্মজীবনী (২০১২)
★এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম
★ কারাগারের রোজনামচা (২০১৭)
বঙ্গবন্ধু ছিলেন সাহিত্যে প্রেমী মানুষ। সাহিত্যে তার রক্তের সাথে মিশে ছিল। তাইতো তিনিও লিখেছেন।
পুরস্কার ও সম্মাননাঃ-
★ বাঙালী জাতিসত্তা আন্দোলনে ও তার নেতৃত্বে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় তিনি " জাতির পিতা " হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেন।
★ ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে তিনি " বঙ্গবন্ধু " উপাধিতে ভুষিত হন।
★১৯৭২ সালের ১৮ অক্টোবর তিনি বিশ্বশান্তি পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত " জুলিও কুরি" পুরস্কারে ভুষিত হন।
তার সবচেয়ে বড় পুরষ্কার তো হলো এদেশের কোটি মানুষের ভালোবাসা। তিনি বাঙালির মন জয় করে নিয়েছেন। আর এটাই তার জীবনের সব চেয়ে বড় স্বার্থকতা।
জীবনাবসানঃ-
১৫ আগস্ট ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে সামরিক বাহিনীর হাতে সপরিবারে নিহত হন।
বাঙালি তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভূলটি করেছে ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট। লজ্জিত আমরা হে মহান পিতা। অকৃতজ্ঞ এই জাতি তার শ্রেষ্ঠ সন্তান কে সপরিবারে হত্যা করে দুনিয়ার বুকে এক কলঙ্ক অধ্যায়ের জন্ম দিয়েছে। যতদিন এই বাঙালি জাতি থাকবে ততদিন শেখ মুজিবের কাছে তারা ঋণী ও লজ্জিত থাকবে।
আজ ১৮ই মার্চ, গতকাল ১৭ই মার্চ তার ১০০ তম জন্মদিন অতিবাহিত হলো। বাংলাদেশ সরকার দিনটিকে অনেক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে উদযাপন করেছে। মুজিব বর্ষ হিসাবে ঘোষণা দেওয়া হলো।
আজ তুমি নেই কিন্তু তোমার অস্তিত্ব এখনো বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যমান। তোমার দেখানো পথেই হাটছে তোমার রেখে যাওয়া সেই সোনার বাংলা। হে মাহান পিতা ক্ষমা করো আমাদের।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

মহান নেতা
ReplyDeleteYes
Delete💖❤💖
ReplyDeleteJoss lakso tumi
ReplyDeleteThanks for reading ...
Delete❤️💜😍
ReplyDeleteBest
ReplyDeleteBesh hoyeche
ReplyDelete