This is Life Story & Everyday Life Related Blogging sites. I Post Regularly. Life Story - Everyday life
Translate
Sunday, May 24, 2020
Eid ul fitor 2020 | Eid 2020 | Eid mubarak | Eid ul fitr 2020 in Bangladesh
Saturday, May 23, 2020
Homemade skin care-2 || Lockdown || Everyday life
Remove dark spot on your face.
মুখের কালো দাগ দূর করুনঃ-অনেকেই মুখের নানারকম দাগ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন। কিন্তু দাগ কী ভাবে তা দূর হবে সেটা অনেকেরই জানা থাকে না। এ ক্ষেত্রে ঘরোয়া উপায় কিছু উপায় অনুসরণ করে মুখের দাগ দূর করতে পারেন। যেমন-
ব্রণের দাগ দূর করতে:
১. চন্দন গুঁড়ার সঙ্গে সামান্য গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগান। এর পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন।
২. প্রতিদিন দাগের উপরে মধু লাগাতে পারেন। এতে দাগ ফিকে হবে আসবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, ত্বকে মধুর ব্যবহারে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হচ্ছে কিনা।
৩. তৈলাক্ত ও সাধারণ ত্বকের দাগ দূর করার জন্য শশার রস, আলুর রস খুবই উপকারী। শশার রস, আলুর রস দিয়ে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন এই পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন নিতে পারলে উপকার পাবেন।
৪. শুধুমাত্র তৈলাক্ত ত্বকের দাগ দূর করতে টক দই, লেবুর রস ও আটা মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। সপ্তাহে দু’দিন এটি ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।
৫. অ্যালোভেরার রস প্রতিদিন মুখের দাগের উপর লাগালে দ্রুত সে দাগ কমে যায়।
৬. তৈলাক্ত ত্বকে মুলতানি মাটি, লেবুর রস ও টকদই মিশিয়ে ব্যবহার করুন। এতে উজ্জ্বলতা বাড়বে, দাগও কমবে।
৭. মিশ্র ও সাধারণ ত্বকে দাগ হলে ল্যাভেন্ডার তেল লাগাতে পারেন।
৮. যে কোনও ত্বকের দাগ কমাতে পাকা কলার পেস্ট ব্যবহার করতে পারেন।
৯. রসুন ও লবঙ্গের মিশ্রণ করে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে লাগিয়ে নিন। সকালে উঠে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
১০. টমেটোর রস মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এতেও দাগ দূর হয়।
রোদে পোড়া বা মেছেতার দাগ দূর করতে:
১.গুঁড়া দুধ ও গ্লিসারিন মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
২. অ্যালোভেরা জেল ও আলুর পেষ্ট দাগ দূর করতে কার্যকরী।
৩.কমলা লেবুর খোসা গুঁড়া করে তার সঙ্গে দুধ মিশিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন।
৪. মেছতার জায়গায় লেবুর রস, সামান্য ভিনেগার লাগাতে পারেন। কেউ চাইলে এর সঙ্গে অল্প পরিমাণে পানিও মিশিয়ে নিতে পারেন।
৫.
মুখের দাগ কমাতে লেবুর রস, মধু ও কাচা পেঁপে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করতে পারেন।
তবে বেশি দাগ হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
Tuesday, May 19, 2020
Book Review || সাতকাহন-Satkahon || Everyday life
কম বেশি সবাইকেই বই পড়তে দেখা যায়,অনেক বই পড়া হয়েও থাকে না সব সময়।তাই আজ সমরেশ মজুমদারের সাতকাহন বইটি আজ রিভিউদিচ্ছি।ভালো লাগলে অবশ্যই সবাই পড়বেন বই।
বই: সাতকাহন (অখণ্ড)
লেখক:সমরেশ মজুমদার
ঘরানা:উপন্যাসপ্রকাশনী :আনন্দ পাবলিশার্স লিমিটেড
মুদ্রিত মূল্য :৯৫০ টাকা [ইন্ডিয়ান প্রিন্ট]
প্রথম প্রকাশ:১লা বৈশাখ,১৩৯৭ বঙ্গাব্দ
বাংলা সাহিত্যের এক অমর সৃষ্টি সমরেশ মজুমদার রচিত উপন্যাস 'সাতকাহন'। এই উপন্যাসে লেখক এক নারীর অপ্রতিরোধ্য জীবন-সংগ্রামের চিত্রায়ণ ঘটিয়েছেন।সাতকাহন উপন্যাসের মুখ্য চরিত্র - দীপাবলী বন্দোপাধ্যায়। সুতরাং বলাই যায়, উপন্যাসটির সূচনা,প্রবাহধারা এবং পরিসমাপ্তির সম্পূর্ণটা জুড়েই আমরা 'দীপাবলি' নামের নারী চরিত্র কে দেখতে পাবো।
আংড়াভাসা নদীর তীরের এক চা-বাগানে প্রকৃতির সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠে দীপা। বাবা-মা-দুই ভাই আর ঠাকুমা কে নিয়ে আনন্দেই দিন কাটছিলো দীপার।তখনো সে ছিলো একজন সাধারণ,দুরন্ত ,চপল বালিকা।ধীরে ধীরে বালিকা দীপাবলি কৈশোরে পদার্পণ করতে থাকে।ঠিক তখনই জীবনের জটিলতা, কঠোর বাস্তবতা কিংবা পৃথিবীর অপ্রিয় সত্যিগুলোর সাথে তার পরিচয় ঘটতে শুরু করে।একটা সময় সে জানতে পারে, যে পিতা 'অমরনাথ' আর মমতাময়ী মাতা 'অঞ্জলি' তাকে ছোট থেকে বুকে আগলে রেখেছে,পরম মমতা আর ভালোবাসা দিয়ে বড় করেছে তারা তার জন্মদাতা পিতা-মাতা নন।সেই থেকে শুরু, এরপর ক্রমাগত অন্তহীন ঝড়, বহু বাধা-বিপত্তি, নিষ্ঠুরতা-নির্মমতার সম্মুখীন হতে হয়েছে দীপাবলি কে।তবুও হাল ছাড়েনি দীপা, নিজের ভেতরে জমে থাকা প্রবল জেদ আর ইচ্ছাশক্তির আলো দিয়ে জীবন সংগ্রামে বারবার জয়ী হয়েছে।আর এই জয়ী হবার পেছনে যাঁর উপদেশ অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে কিংবা আশার আলো দেখিয়েছে তিনি দীপাবলির 'সত্যসাধন মাস্টারমশাই'। তাঁর বাণী, অমরনাথের ভালোবাসা,আর ঠাকুমা মনোরমার আশির্বাদ ছিল দীপাবলির চলার পথের পাথেয়।সকল শুভশক্তির জোরেই মাত্র ৭২ ঘণ্টার অভিশপ্ত বৈবাহিক জীবনের কালো অধ্যায়ের স্মৃতিগুলো মুছে দিয়ে ১০ বছর বয়সী ছোট্ট দীপাবলি হয়ে ওঠে একজন অসামান্যা নারী, ক্রমান্বয়ে চোখের রেখায় আঁকা স্বপ্নগুলো সত্যি করে তুলতে থাকে। ছোট্ট গ্রামে বেড়ে ওঠা দীপাবলি জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়ে ভারতবর্ষের একজন সফল সরকারী চাকুরীজীবি হতে সমর্থ হয়।তবে কালের গর্ভে একটাসময় হারিয়ে যায় তার খুব প্রিয় মানুষগুলো। জীবনে সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হলেও প্রকৃত ভালোবাসার অভাব দীপাবলির জীবনে কিছুটা রয়েই গিয়েছিল।অতুল,অসীম, অমল,শমিত,অর্জুন কিংবা অলোক কেউই দীপাবলি কে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে পারেনি অথবা চায়নি। শেষমুহুর্ত পর্যন্ত দীপাবলি বড্ড একা হয়ে বেঁচেছিলো, আপন বলতে শুধু ঠাকুমা মনোরমাই পাশে ছিলো।
প্রিয় উক্তিসমূহ:
১."You must remember that you are fighting against your destiny. "
২."স্বাধীনতার জন্য যোগ্য হতে হবে তারপর বাইরের স্বাধীনতা আদায় করতে হবে।"
৩."চোখের এক ফোঁটা জল,একশো ফোঁটা রক্তের চেয়েও দামী।"
৪."যে নিজের চোখের জল ফেলে না,অথচ ভেতরে ভেতরে রক্তাক্ত হয় তার কষ্ট সবাই বুঝতে পারে না।"
৫."মরে যাওয়া মানুষ জীবিতদের মনে যে প্রতিক্রিয়া রেখে যায় তার দায় বইতে হয় অনেকদিন কারো কারো ক্ষেত্রে সারাজীবন।"
৬."মানুষের পায়ের তলায় শেকড় আছে।পুরনো জায়গা থেকে শেকড় তুলে নিতে তার যেমন বেশি সময় লাগেনা তেমনি নতুন জায়গায় সেই শেকড় বসে যেতেও দেরি হয় না।"
দীপাবলি সেই নারী যে নারীর আপোষহীন এবং দৃঢ়চেতা মনোভাবকে পুরুষশাসিত সমাজ কোনোভাবেই পরাস্ত করতে পারে না,হতাশার কালকুঠুরিতে ছুড়ে ফেলতে পারে না!দীপাবলিরা বারবার বিজয়ের মালা গলায় জড়িয়ে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকে, বেঁচে থাকতে শেখায়। তাইতো,প্রতিটি বাঙালি নারী বুকে অফুরান সাহস আর ইচ্ছাশক্তি নিয়ে চোখের রেখায় একজন দীপাবলি হবার স্বপ্ন আঁকে।এই উপন্যাস নারীকে ভাবতে শেখাবে, জানতে শেখাবে,বাঁচতে শেখাবে,অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখাবে ;সেইসাথে শেখাবে মানবিকতা।শুধু তাই নয়,এই উপন্যাস পুরুষকে নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখাবে,উদ্বুদ্ধ করবে বৈষম্যহীনতায়।
এই সমাজ বৈষম্যহীন হোক, মানবিকতায় ভরে উঠুক।নারী কিংবা পুরুষ নয় মনুষ্যত্ব-ই হোক প্রকৃত পরিচয়। শুভ পঠন!
Monday, May 18, 2020
Bangla New Poem || তবে তুমি সুস্থ্য থেকো ||Everyday life
তবে তুমি সুস্থ্য থেকো
ফারিহা তাবাসসুম
অনেকটা দিন পার করে এসেছি,
সূর্যটাকে গায়ে মেখে রাস্তায় একসাথে হাঁটা হয় নি।
শেষ কবে আমরা বৃষ্টির পানিতে হেঁটেছিলাম এ ব্যস্ত নগরীতে
খুব আবছা আবছা মনে পড়ছে, তাই না?
সব কিছু আবার হবে,
যদি তুমি সুস্থ্য থাকো।
আমাদের আবার রোদে দাঁড়িয়ে ঘেমে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মালাই কুলফি যে খেতে হবে।
আরে,বৃষ্টিতে আধভেজা হয়ে টং এর দোকানে-
চা খাওয়াটা ও তো আজ বাকি পড়ে আছে।
এ গ্রীষ্ম বর্ষা যাচ্ছে যাক,
পরের বার আমাদের ঠিকই দেখা হবে,
যদি তুমি সুস্থ্য থাকো।
অনেকদিন হয়ে গেলো রিকশাওয়ালা মামার-
ফাটা পায়ে প্যাডেল চাপা দেখা হয় নি।
ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটি করতে দেখি নি অনেক দিন।
আবারও জ্যামের মধ্যে দাঁড়িয়ে বেলিফুল কিনতে বায়না ধরা হয় নি,
আবারও বায়না ধরবো বৃষ্টিতে রিকশার হুড ফেলে দিতে,
তবে তুমি সুস্থ্য হয়ে থাকো।
রোদে দাঁড়িয়ে অনেক দিন ঝাল ঝাল ফুচকা খাওয়া হয়নি,
চটপটি আর ফুচকা নিয়ে দুজনের মাঝে,
অনেকদিন মান অভিমান হয় নি।
অভিমান করে এক্সট্রা আইসক্রিমও খাওয়া হয় নি।
আবারও হবে দেখা আমাদের সেই পরিচিত জায়গায়,
পরিচিত শহরে,পরিচিত মোড়ে,
Monday, May 11, 2020
তুলসির গুনাবলী || Natural medicine || @Everyday life
Tulsi.
We see a lot of Tulsi trees lying next to us. Some people know the benefits of it and some people don't. Even though I know it, I know it in a very limited way. Tulsi is a kind of medicinal plant and its properties and many more. Let's find out the properties of Tulsi and how useful it is for us: -
★In case of fever, basil leaves in water, round Mix pepper and corn and boil well Do that Or three products Make pills by mixing Three in a day- Eat the pill four times with water Fever It will get better very soon.
★ If the cough does not decrease Sweet crushed basil leaves and ginger in the case Eat mixed with 6 It will benefit 6.
★4-5 times a day to eliminate bad breath Chewing basil leaves 6.
★If you want to reduce the wound quickly Then crush the basil leaves and alum together Planting in its place will be reduced to 7.
★If any part of the body burns Then basil juice and coconut oil Beat it and it will reduce the irritation The burnt place It will dry out quickly. There will be no stain.
★In addition to enhancing the glow of the skin Crush the basil leaves and apply it on the face to remove wrinkles and brown.
★Chew 5-7 basil leaves daily to increase intelligence and memory.
তুলসি পাতার গুনাবলিঃ-
আমাদের আসে পাশে অনেক পড়ে থাকতে দেখি তুলসি গাছ।কেউ কেউ এর উপকারিতা জানি আবার কেউ কেউ জানি না। আবার জানলেও তা খুব সীমিত আকারে জানি।তুলসি হচ্ছে এক প্রকার ঔষধি গাছ এবং এর গুনাবলী ও অনেক।চলুন জেনে নেওয়া যাক তুলসির গুনাবলী আর তা আমাদের জন্য কত উপকারীঃ-
★জ্বর হলে জলের মধ্যে তুলসী পাতা, গোল
মরিচ এবং মিশ্রী মিশিয়ে ভাল করে সেদ্ধ
করুন৷ অথবা তিনটে দ্রব্য
মিশিয়ে বড়ি তৈরি করুন৷ দিনের মধ্যে তিন-
চার বার ঐ বড়িটা জলের সঙ্গে খান৷ জ্বর
খুব তাড়াতাড়ি সেরে যাবে৷
★কাশি যদি না কমে সেই
ক্ষেত্রে তুলসী পাতা এবং আদা পিষে মধুর
সঙ্গে মিশিয়ে খান৷ এতে উপকার পাবেন৷
★ মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে 4-5 বার
তুলসী পাতা চেবান৷
★ঘা যদি দ্রুত কমাতে চান
তাহলে তুলসী পাতা এবং ফিটকিরি একসঙ্গে পিষে ঘা
এর স্থানে লাগান কমে যাবে৷
★শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায়
তাহলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল
ফেটিয়ে লাগান এতে জ্বালা কমবে৷ পোড়া জায়গাটা
তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে।
সেখানে কোন দাগ থাকবে না৷
★ ত্বকের চমক বাড়ানোর জন্য এছাড়া ত্বকের
বলীরেখা এবং ব্রোনো দূর করার জন্য তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগান৷
★বুদ্ধি এবং স্মরণ শক্তি বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন 5-7 টা তুলসী পাতা চিবান৷
Thursday, May 7, 2020
Homemade Chicken boll || Iftar Recipe-ইফতার রেসিপি || @Fariha Tabassum
সহজ ইফতারের রেসিপি-চিকেন বল
ছোলা,আলুর চপ,বেগুনি আর পেঁয়াজি সব সময়ই ধরা বাধা থাকে।আর এর বাইরে যদি কিছু খাওয়াও হয় তবে তা বাইরে থেকে কিনে আনতে হয়। বাইরের খাওয়া কত বেশি স্বাস্থ্যকর তা আমরা কম বেশি সকলেই জানি। তবে সারাদিন না খেয়ে থেকে ইফতারিতে কিছু স্বাস্থ্যকর না খেলে তবে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।
চিকেন আমরা পছন্দ করি না এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম।সবাই চিকেন পছন্দ করি। আর চিকেন দিয়ে যে কোনও নাস্তাও খুব সহজেই বানানো যায়।আর সেই চিকেনর তৈরি নাস্তা বাচ্চা থেকে বুড়া সকালেই চেটে পুটে খায়। চলুন তবে চিকেন দিয়ে তৈরি একটি খুব সহজ এবং সুস্বাদু খাবার " চিকেন বল " শিখে নিই।
উপকরণঃ-
১. হাঁড় ছাড়া মুরগীর মাংস ১০০ গ্রাম
২.আদা ১ চা চামচ
৩.রসুন ১ চা চামচ
৪.লবণ স্বাদ মতো
৫.সয়া সস ১ চা চামচ
৬. পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ
৮.কাঁচা মরিচকুচি ৪/৫ টি কুচি করা
৯.জিরা এবং ধনিয়া গুড়া ১ চা চামচ
১০.গরম মসলা গুড়া আধা চা চামচ
১১.পাউরুটি ৫ টুকরো
১২. তেল পরিমাণ মতো ( ভাজার জন্য)
১৩.ডিম ১টি
১৪. ব্রেড ক্রাম্প পরিমাণ মতো।
প্রস্তুত প্রনালীঃ-
প্রথমে হাঁড় ছাড়া মাংস কে কিউব করে কেটে কাঁচা মরিচ দিয়ে ব্লেন্ডারে সামান্য ব্লেন্ড করে নিই।তারপর তাতে আদা, রসুন,লবন,সয়া সস, পেঁয়াজ,জিরা ধনিয়া, গরম মসলা এক সাথে মিশিয়ে নিয়ই।এর পর পাউরুটি পানিতে ভিজিয়ে চেপে পানি ঝরিয়ে মিক্স করি।তারপর সব কিছু ভালো মতে মিশিয়ে ছোট ছোট বলের আকার করে নিই। এর পর একটা ডিম ফেটিয়ে তাতে ভিজিয়ে নিয়ে ব্রেড ক্রাম্পে কোট করে নিই।আর এই প্রণালীটি ২বার করে করি।তাতে কোটিং টা সুন্দর হবে।
এরপর হাঁড়িতে তেল দিয়ে মিডিয়াম টু লো তে চুলার আঁচে তেল গরম করে নি।আর তেল টা খুব বেশি গরম করা যাবে না।এর পর চুলার আঁচটা আরও একটু কমিয়ে ৫-৭ মিনিট ভাঁজতে থাকি।হয়ে গেলো আমাদের "চিকেন বল" এর পর গরম গরম পছন্দের কোনো ড্রিংকস এর সাথে পরিবেশণ করি মজাদার " চিকেন বল"।
Sunday, May 3, 2020
Homemade Skin care || Lockdown || @Fariha Tabassum
Lockdown Skin care
Everyone is locked in the house in the lock down. No one can go out anywhere. No one can cut their hair, no one can go shopping, no one can go to the parlor and do facial again. So everyone is upset. Who doesn't love to take care of skin ?? Everyone is interested in keeping themselves beautiful, whether it is a boy or a girl. Although girls are a little ahead of boys but the desire is in everyone.Many people cannot take care of themselves in the busyness of work. We all have skin problems. The sun burns the skin, various types of black head acne are many more problems. Now that we are at home, now is the time to get rid of these problems. And since it is locked down now, all our problems should be solved in a domestic way. Let's learn how to take care of skin at home.★★Ways to brighten the skin and get rid of acne:
- Ingredients: -
★ Bason
★ Rice powder
★Honey
★termaric powder
★Rose water
Make a paste by mixing all these ingredients together. Besan increases the radiance of the skin, helps to reduce the impression of age, removes the dryness of the skin. Rice powder cleans the dirt of the skin, helps to reduce blackheads. Honey has an effective role in removing acne and removing acne scars.Takes sweet alternatives to get rid of dead skin. Turmeric powder acts as an antioxidant on the skin. Works to heal acne quickly and reduce acne scars. Rose water brightens the skin.
Skin care can be done easily at home. It has no side effects. This will bring the skin back to life. If you use this pack three days a week regularly, but there will be no problem. And you will stay healthy all the time. And in lock down we don't have to worry about skin care. ☺
লকডাউনে ত্বকের যত্ন
লক ডাউনে সবাই ঘরে বন্ধী।কোথাও কেউ বের হতে পারছেননা।কেউ চুল কাটাতে পারছেন না, কেউ শপিং করতে পারছেন্না কেউ আবার পার্লারে গিয়ে ফেসিয়াল করতে পারছেন না।তাতে সবারই মন খারাপ।ত্বকের যত্ন নিতে কেই না ভালোবাসে?? ছেলে হউক কিংবা মেয়ে নিজেকে সুন্দর রাখতে সবাই খুব আগ্রহী। যদিও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা একটু এগিয়ে কিন্তু ইচ্ছাটা সবার মধ্যেই আছে।কাজের ব্যস্ততায় অনেকে নিজের যত্ন নিতে পারে না। আমাদের সবারই ত্বকে কোনো না কোনো সমস্যা থাকে। রোদে ত্বক পুড়ে যায়, নানা রকম ব্ল্যাক হেড ব্রণ আরও অনেক সমস্যা। এখন যেহেতু আমরা ঘরে আছি তাই এসব সমস্যার থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার এখনই সময়। আর যেহেতু এখন লক ডাউন তাই আমাদের সব সমস্যার সমাধান ঘরোয়া উপায়েই করা উচিৎ। চলুন শিখে নিই কিভাবে ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের যত্ন নেওয়া যায়।
★★ ত্বক উজ্জ্বল ও ব্রণ মুক্ত করার উপায়ঃ-
উপকরণঃ-
★ বেসন
★ চালের গুড়া
★ মধু
★ হলুদ গুড়া
★ গোলাপ জল
এ সব উপকরণ এক সাথে মিশিয়ে একটা পেস্ট বানাতে হবে।বেসন ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে ত্বকে,বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে,ত্বকের শুষ্কতা দূর করে। চালের গুড়া ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করে, ব্ল্যাকহেড কমাতে সাহায্য করে।মধু ব্রণ দূর করতে এবং ব্রণের দাগ দূর করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। ত্বকের মরা চামড়া বের করতে মধুর বিকল্প নেয়। হ্লুদ গুড়া ত্বকে এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে। ব্রণ তাড়াতাড়ি সারাতে এবং ব্রণের ক্ষত কমাতে কাজ করে। গোলাপ জল ত্বকে উজ্জ্বল ভাব আনে।
ঘরোয়া উপায়ে খুব সহজেই ত্বকের যত্ন নেওয়া যায়। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এতে ত্বকে প্রাণ ফিরে পাবে।এ প্যাক সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করলে নিয়মিত তবে কোনো সমস্যা হবে না।আর স্বাস্থ্যজ্জ্বল থাকবে সব সময়। আর লক ডাউনে আমাদেরকে ত্বকের যত্ন নিয়ে ভাবতে হবে না। ☺
Subscribe to:
Comments (Atom)
Mobile Photographs Idea || Life Story - Everyday life || Tabassum Tushin
Mobile Photographs idea Equipment :- 1.Earphone 2.Any book 3.Some Flowers 4.Leaf 5.SmartPhone
-
কাল্পনিক এক ভালোবাসার গল্প ফেসবুকে টুকটাক লেখালেখি করতাম। বলতে গেলে একদম আনাড়ি টাইপের লেখা। ছেলেদের কাঁদতে নেই, তবুও জীবনে দুবার কেঁদেছ...
-
কম বেশি সবাইকেই বই পড়তে দেখা যায়,অনেক বই পড়া হয়েও থাকে না সব সময়।তাই আজ সমরেশ মজুমদারের সাতকাহন বইটি আজ রিভিউদিচ্ছি।ভালো লাগলে অবশ্যই সবাই ...







