Translate

Saturday, February 20, 2021

Sunday, May 24, 2020

Eid ul fitor 2020 | Eid 2020 | Eid mubarak | Eid ul fitr 2020 in Bangladesh

২০২০ এ ঈদুল ফিতর 

  আসসালামুয়ালাইকুম!!!  সবাইকে ঈদুল ফিতরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক! এক মাস রোজা রাখার পর এসেছে এই আনন্দের দিন,ঈদুল ফিতর।যা আমাদের প্রত্যেক মুসলমানদের জন্য অনেক আনন্দের।এই ঈদের দিনে আমরা সবাই নতুন পোশাক পরিধান করি।সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করি এবং একে অপরের সাথে আলিঙ্গন করি।


এখন ২০২০,সময়টাকে করোনা পুরোই ঘায়েল করে নিয়েছে।আর এই করোনা কিংবা কোভিড-১৯ এর জন্য আমাদের এইবারের ঈদটা কিন্তু হয়তো আর ৫টা বছরের মত হবে না।হয়তো আগের বারের মতো আমাদের এবারে নতুন পোশাক কেনা হয় নি কারণ লকডাউন চলছে আর আর্থিক পরিস্থিতিও এখন সুবিধার না।তাই অনেকের ক্ষেত্রেই শপিং করা হয়ে উঠে নি।তাতে কি একবার না হয় নতুন জামা ছাড়াই ঈদ করবো।একটু ভেবে দেখেন,এই ঈদে যদি পরিবারের কেউ না থাকতো সাথে তবে কি এতটুকু আনন্দ ও তো পেতাম না তাই না?? আর  যারা এই মহামারীতে যারা আত্মীয় পরিজনদের হারিয়েছেন তারা আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন আর এইটাই ভেবে নিন  যে এইটা হওয়ারই ছিল আর এর জন্য করোনা শুধুই উসিলা তার জন্য আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্টি আদায় করা উচিৎ। অনেক খারাপ ভাবেও তারা মৃত্যু বরণ করতে পারতো যার দ্বারা তার শেষ কার্যও দেখতে পারতেন্না।


এবার না হয় ঈদের দিন ঘরে থাকবো, পরিবারকে সময় দিবো।ক্ষতি কি?? প্রত্যেকবার তো বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি আড্ডা দেওয়া হয়। আর এবার পরিবারকে সময় দিন।পরিবারকে নানা কাজে সাহায্য করুন। নানান রকম খাওয়া বানিয়ে খাওয়ান। ঘর গুছান।দেখবেন একটা তৃপ্তি কাজ করবে।


আর তাদের উদ্দেশ্যে বলছি,যারা পরিবার থেকে দূরে আছেন।তারা হয়তো ভাবছেন যে,আল্লাহ আপনাকে  আপনার পরিবার থেকে দূরে রেখেছে কিন্তু অন্য ভাবে দেখেন, আল্লাহ আপনাকে সুরক্ষিত রেখেছে।আপনার ঈদের চাইতেও হয়তো আপনার স্বাস্থ্য বেশি দরকারী ছিলো। একটা কথা মনে রাখা উচিৎ, আপনার ইচ্ছা থেকে আল্লাহর পরিকল্পনা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।



পরের বছর আমরা কে বাঁচি কে মরি বলা যায় না।তাই এবছর যে যেভাবে ঈদ করছেন মহান আল্লাহর প্রতি সবাই সন্তুষ্টি আদায় করি।সবার জন্য দোয়া করি।সবাইকে আবারও ঈদের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক

Saturday, May 23, 2020

Homemade skin care-2 || Lockdown || Everyday life

Remove dark spot on your face.

 মুখের  কালো দাগ দূর করুনঃ-

অনেকেই মুখের নানারকম দাগ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন। কিন্তু দাগ কী ভাবে তা দূর হবে সেটা অনেকেরই জানা থাকে না। এ ক্ষেত্রে ঘরোয়া উপায় কিছু উপায় অনুসরণ করে মুখের দাগ দূর করতে পারেন। যেমন-

ব্রণের দাগ দূর করতে:


১. চন্দন গুঁড়ার সঙ্গে সামান্য গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগান। এর পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন।

২. প্রতিদিন দাগের উপরে মধু লাগাতে পারেন। এতে দাগ ফিকে হবে আসবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, ত্বকে মধুর ব্যবহারে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হচ্ছে কিনা।

৩. তৈলাক্ত ও সাধারণ ত্বকের দাগ দূর করার জন্য শশার রস, আলুর রস খুবই উপকারী। শশার রস, আলুর রস দিয়ে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন এই পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন নিতে পারলে উপকার পাবেন।

৪. শুধুমাত্র তৈলাক্ত ত্বকের দাগ দূর করতে টক দই, লেবুর রস ও আটা মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। সপ্তাহে দু’দিন এটি ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

৫. অ্যালোভেরার রস প্রতিদিন মুখের দাগের উপর লাগালে দ্রুত সে দাগ কমে যায়।

৬. তৈলাক্ত ত্বকে মুলতানি মাটি, লেবুর রস ও টকদই মিশিয়ে ব্যবহার করুন। এতে উজ্জ্বলতা বাড়বে, দাগও কমবে।

৭. মিশ্র ও সাধারণ ত্বকে দাগ হলে ল্যাভেন্ডার তেল লাগাতে পারেন।

৮. যে কোনও ত্বকের দাগ কমাতে পাকা কলার পেস্ট ব্যবহার করতে পারেন।

৯. রসুন ও লবঙ্গের মিশ্রণ করে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে লাগিয়ে নিন। সকালে উঠে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

১০. টমেটোর রস মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এতেও দাগ দূর হয়।

রোদে পোড়া বা মেছেতার দাগ দূর করতে:


১.গুঁড়া দুধ ও গ্লিসারিন মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

২. অ্যালোভেরা জেল ও আলুর পেষ্ট দাগ দূর করতে কার্যকরী।
৩.কমলা লেবুর খোসা গুঁড়া করে তার সঙ্গে দুধ মিশিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন।

৪. মেছতার জায়গায় লেবুর রস, সামান্য ভিনেগার লাগাতে পারেন। কেউ চাইলে এর সঙ্গে অল্প পরিমাণে পানিও মিশিয়ে নিতে পারেন।

৫.
মুখের দাগ কমাতে লেবুর রস, মধু ও কাচা পেঁপে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করতে পারেন।

তবে বেশি দাগ হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

Tuesday, May 19, 2020

Book Review || সাতকাহন-Satkahon || Everyday life

কম বেশি সবাইকেই বই পড়তে দেখা যায়,অনেক বই পড়া হয়েও থাকে না সব সময়।তাই আজ সমরেশ মজুমদারের সাতকাহন বইটি আজ রিভিউদিচ্ছি।ভালো লাগলে অবশ্যই সবাই পড়বেন  বই। 

 

বই: সাতকাহন (অখণ্ড)

লেখক:সমরেশ মজুমদার 

ঘরানা:উপন্যাস
প্রকাশনী :আনন্দ পাবলিশার্স  লিমিটেড
মুদ্রিত মূল্য :৯৫০ টাকা [ইন্ডিয়ান প্রিন্ট]
প্রথম প্রকাশ:১লা বৈশাখ,১৩৯৭ বঙ্গাব্দ

বাংলা সাহিত্যের এক অমর সৃষ্টি সমরেশ মজুমদার রচিত উপন্যাস  'সাতকাহন'। এই উপন্যাসে লেখক এক নারীর অপ্রতিরোধ্য জীবন-সংগ্রামের  চিত্রায়ণ  ঘটিয়েছেন।সাতকাহন উপন্যাসের মুখ্য চরিত্র - দীপাবলী বন্দোপাধ্যায়। সুতরাং বলাই যায়, উপন্যাসটির সূচনা,প্রবাহধারা এবং পরিসমাপ্তির সম্পূর্ণটা জুড়েই  আমরা 'দীপাবলি' নামের নারী চরিত্র কে দেখতে পাবো।

আংড়াভাসা নদীর তীরের এক চা-বাগানে প্রকৃতির সান্নিধ্যে  বেড়ে ওঠে দীপা। বাবা-মা-দুই ভাই আর ঠাকুমা কে নিয়ে আনন্দেই দিন কাটছিলো দীপার।তখনো  সে ছিলো একজন সাধারণ,দুরন্ত ,চপল বালিকা।ধীরে ধীরে বালিকা দীপাবলি কৈশোরে পদার্পণ করতে থাকে।ঠিক তখনই জীবনের জটিলতা, কঠোর বাস্তবতা কিংবা পৃথিবীর অপ্রিয় সত্যিগুলোর সাথে তার পরিচয় ঘটতে শুরু করে।একটা সময় সে জানতে পারে, যে পিতা 'অমরনাথ'  আর মমতাময়ী  মাতা 'অঞ্জলি' তাকে ছোট থেকে বুকে আগলে রেখেছে,পরম মমতা আর ভালোবাসা দিয়ে  বড় করেছে তারা তার জন্মদাতা পিতা-মাতা নন।সেই থেকে শুরু, এরপর ক্রমাগত অন্তহীন  ঝড়, বহু বাধা-বিপত্তি, নিষ্ঠুরতা-নির্মমতার সম্মুখীন হতে হয়েছে দীপাবলি কে।তবুও হাল ছাড়েনি দীপা, নিজের ভেতরে জমে থাকা প্রবল জেদ আর ইচ্ছাশক্তির আলো দিয়ে জীবন সংগ্রামে বারবার জয়ী হয়েছে।আর এই জয়ী হবার পেছনে যাঁর উপদেশ অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে কিংবা আশার  আলো দেখিয়েছে তিনি দীপাবলির 'সত্যসাধন মাস্টারমশাই'। তাঁর বাণী, অমরনাথের ভালোবাসা,আর ঠাকুমা মনোরমার আশির্বাদ ছিল দীপাবলির চলার পথের পাথেয়।সকল শুভশক্তির জোরেই মাত্র ৭২ ঘণ্টার  অভিশপ্ত বৈবাহিক জীবনের কালো অধ্যায়ের স্মৃতিগুলো মুছে দিয়ে ১০ বছর বয়সী ছোট্ট  দীপাবলি হয়ে ওঠে একজন অসামান্যা নারী, ক্রমান্বয়ে চোখের রেখায় আঁকা  স্বপ্নগুলো সত্যি করে তুলতে থাকে।  ছোট্ট গ্রামে বেড়ে ওঠা দীপাবলি  জীবনের প্রতিটি  পরীক্ষায় সফলতার সাথে উত্তীর্ণ  হয়ে ভারতবর্ষের  একজন সফল সরকারী চাকুরীজীবি হতে সমর্থ হয়।তবে কালের গর্ভে একটাসময় হারিয়ে যায় তার খুব প্রিয় মানুষগুলো। জীবনে সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হলেও  প্রকৃত ভালোবাসার অভাব দীপাবলির জীবনে কিছুটা রয়েই গিয়েছিল।অতুল,অসীম, অমল,শমিত,অর্জুন কিংবা অলোক কেউই দীপাবলি কে আঁকড়ে  ধরে বাঁচতে পারেনি অথবা চায়নি। শেষমুহুর্ত  পর্যন্ত দীপাবলি বড্ড একা হয়ে বেঁচেছিলো, আপন বলতে শুধু ঠাকুমা মনোরমাই পাশে ছিলো।

প্রিয় উক্তিসমূহ:
১."You must remember  that you are fighting against your destiny. "
২."স্বাধীনতার জন্য যোগ্য হতে হবে তারপর বাইরের স্বাধীনতা আদায় করতে হবে।"
৩."চোখের এক ফোঁটা জল,একশো ফোঁটা রক্তের চেয়েও দামী।"
৪."যে নিজের চোখের জল ফেলে না,অথচ ভেতরে ভেতরে রক্তাক্ত  হয়  তার কষ্ট সবাই বুঝতে  পারে না।"
৫."মরে যাওয়া মানুষ জীবিতদের মনে যে প্রতিক্রিয়া  রেখে যায় তার দায় বইতে হয় অনেকদিন কারো কারো ক্ষেত্রে সারাজীবন।"
৬."মানুষের পায়ের তলায় শেকড় আছে।পুরনো  জায়গা থেকে শেকড় তুলে নিতে তার যেমন  বেশি সময় লাগেনা তেমনি নতুন জায়গায় সেই শেকড় বসে যেতেও  দেরি হয় না।"

দীপাবলি  সেই নারী যে নারীর আপোষহীন  এবং দৃঢ়চেতা মনোভাবকে পুরুষশাসিত সমাজ কোনোভাবেই  পরাস্ত করতে পারে না,হতাশার কালকুঠুরিতে ছুড়ে ফেলতে পারে না!দীপাবলিরা বারবার বিজয়ের মালা গলায় জড়িয়ে মাথা উঁচু  করে বেঁচে থাকে, বেঁচে  থাকতে শেখায়। তাইতো,প্রতিটি বাঙালি নারী বুকে  অফুরান সাহস আর ইচ্ছাশক্তি নিয়ে চোখের রেখায়  একজন দীপাবলি হবার স্বপ্ন আঁকে।এই উপন্যাস নারীকে ভাবতে শেখাবে, জানতে শেখাবে,বাঁচতে শেখাবে,অন্যায়ের বিরুদ্ধে  প্রতিবাদী  হতে শেখাবে ;সেইসাথে শেখাবে মানবিকতা।শুধু তাই নয়,এই উপন্যাস পুরুষকে নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখাবে,উদ্বুদ্ধ করবে  বৈষম্যহীনতায়।

 এই সমাজ বৈষম্যহীন হোক, মানবিকতায় ভরে উঠুক।নারী কিংবা পুরুষ নয় মনুষ্যত্ব-ই হোক প্রকৃত পরিচয়। শুভ পঠন!


Monday, May 18, 2020

Bangla New Poem || তবে তুমি সুস্থ্য থেকো ||Everyday life

তবে তুমি সুস্থ্য থেকো

ফারিহা তাবাসসুম

অনেকটা দিন পার করে এসেছি,
সূর্যটাকে গায়ে মেখে রাস্তায় একসাথে  হাঁটা হয় নি।
শেষ কবে আমরা বৃষ্টির পানিতে হেঁটেছিলাম এ ব্যস্ত নগরীতে
 খুব আবছা আবছা মনে পড়ছে, তাই না? 
সব কিছু আবার হবে,
যদি তুমি সুস্থ্য থাকো।
আমাদের আবার রোদে দাঁড়িয়ে ঘেমে  রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মালাই কুলফি যে খেতে হবে।
আরে,বৃষ্টিতে আধভেজা হয়ে  টং এর দোকানে-
 চা খাওয়াটা ও তো আজ বাকি পড়ে আছে।
এ গ্রীষ্ম বর্ষা যাচ্ছে যাক,
পরের বার আমাদের ঠিকই দেখা হবে,
যদি তুমি সুস্থ্য থাকো।
অনেকদিন হয়ে গেলো রিকশাওয়ালা মামার-
 ফাটা পায়ে প্যাডেল  চাপা দেখা হয় নি।
ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটি করতে দেখি নি অনেক দিন।
আবারও জ্যামের মধ্যে দাঁড়িয়ে বেলিফুল কিনতে বায়না ধরা হয় নি,
আবারও বায়না ধরবো বৃষ্টিতে রিকশার হুড ফেলে দিতে,
তবে তুমি সুস্থ্য হয়ে থাকো।
রোদে দাঁড়িয়ে অনেক দিন ঝাল ঝাল ফুচকা খাওয়া হয়নি, 
চটপটি আর ফুচকা নিয়ে দুজনের মাঝে,
অনেকদিন  মান অভিমান হয় নি।
অভিমান করে এক্সট্রা আইসক্রিমও খাওয়া হয় নি।
আবারও হবে দেখা আমাদের সেই পরিচিত জায়গায়,
পরিচিত শহরে,পরিচিত মোড়ে, 
তবে তুমি একটু সুস্থ্য থেকো।

Monday, May 11, 2020

তুলসির গুনাবলী || Natural medicine || @Everyday life

 Tulsi.  


We see a lot of Tulsi trees lying next to us. Some people know the benefits of it and some people don't. Even though I know it, I know it in a very limited way. Tulsi is a kind of medicinal plant and its properties and many more. Let's find out the properties of Tulsi and how useful it is for us: -



★In case of fever, basil leaves in water, round Mix pepper and corn and boil well Do that Or three products Make pills by mixing Three in a day- Eat the pill four times with water Fever It will get better very soon.


★ If the cough does not decrease Sweet crushed basil leaves and ginger in the case Eat mixed with 6 It will benefit 6.


★4-5 times a day to eliminate bad breath Chewing basil leaves 6.


★If you want to reduce the wound quickly Then crush the basil leaves and alum together Planting in its place will be reduced to 7.


★If any part of the body burns Then basil juice and coconut oil Beat it and it will reduce the irritation The burnt place It will dry out quickly. There will be no stain.


★In addition to enhancing the glow of the skin Crush the basil leaves and apply it on the face to remove wrinkles and brown.


★Chew 5-7 basil leaves daily to increase intelligence and memory.


তুলসি পাতার গুনাবলিঃ-



আমাদের আসে পাশে অনেক পড়ে থাকতে দেখি তুলসি গাছ।কেউ কেউ এর উপকারিতা জানি আবার কেউ কেউ জানি না। আবার জানলেও তা খুব সীমিত আকারে জানি।তুলসি হচ্ছে এক প্রকার ঔষধি গাছ এবং এর গুনাবলী ও অনেক।চলুন জেনে নেওয়া যাক তুলসির গুনাবলী আর তা আমাদের জন্য কত উপকারীঃ-


★জ্বর হলে জলের মধ্যে তুলসী পাতা, গোল
মরিচ এবং মিশ্রী মিশিয়ে ভাল করে সেদ্ধ
করুন৷ অথবা তিনটে দ্রব্য
মিশিয়ে বড়ি তৈরি করুন৷ দিনের মধ্যে তিন-
চার বার ঐ বড়িটা জলের সঙ্গে খান৷ জ্বর
খুব তাড়াতাড়ি সেরে যাবে৷


★কাশি যদি না কমে সেই
ক্ষেত্রে তুলসী পাতা এবং আদা পিষে মধুর
সঙ্গে মিশিয়ে খান৷ এতে উপকার পাবেন৷

★ মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে 4-5 বার
তুলসী পাতা চেবান৷


★ঘা যদি দ্রুত কমাতে চান
তাহলে তুলসী পাতা এবং ফিটকিরি একসঙ্গে পিষে ঘা
এর স্থানে লাগান কমে যাবে৷


★শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায়
তাহলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল
ফেটিয়ে লাগান এতে জ্বালা কমবে৷ পোড়া জায়গাটা
তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে।
সেখানে কোন দাগ থাকবে না৷


★ ত্বকের চমক বাড়ানোর জন্য এছাড়া ত্বকের
বলীরেখা এবং ব্রোনো দূর করার জন্য তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগান৷


★বুদ্ধি এবং স্মরণ শক্তি বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন 5-7 টা তুলসী পাতা চিবান৷

Thursday, May 7, 2020

Homemade Chicken boll || Iftar Recipe-ইফতার রেসিপি || @Fariha Tabassum

সহজ ইফতারের রেসিপি-চিকেন বল  


রমজানুল মোবারক!!! সবাইকে রমজানের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। রমজানে সবচেয়ে আকর্ষণীয় এবং সবচেয়ে খুশির মূহুর্তে হচ্ছে ইফতারির সময়।আর এই সময় আমাদের মনে অন্য রকম খুশি জাগে।আর এই ইফতারে একাটু ঝাল ভাজা পোড়া না খেলে কি মন ভরে নাকি? নাহ!! মোটেও তা নই। তবে প্রত্যকদিন এক ঘেয়েমি খাওয়া খেতেও মন চায় না।

ছোলা,আলুর চপ,বেগুনি আর পেঁয়াজি সব সময়ই ধরা বাধা থাকে।আর এর বাইরে যদি কিছু খাওয়াও হয় তবে তা বাইরে থেকে কিনে আনতে হয়। বাইরের খাওয়া কত  বেশি স্বাস্থ্যকর তা আমরা কম বেশি সকলেই জানি। তবে সারাদিন না খেয়ে থেকে ইফতারিতে কিছু স্বাস্থ্যকর না খেলে তবে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।


চিকেন আমরা পছন্দ করি না এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম।সবাই চিকেন পছন্দ করি। আর চিকেন দিয়ে যে কোনও নাস্তাও খুব সহজেই বানানো যায়।আর সেই চিকেনর তৈরি নাস্তা বাচ্চা থেকে বুড়া সকালেই চেটে পুটে খায়। চলুন তবে চিকেন দিয়ে তৈরি একটি খুব সহজ এবং সুস্বাদু খাবার  " চিকেন বল " শিখে নিই।

উপকরণঃ-
১. হাঁড় ছাড়া মুরগীর মাংস ১০০ গ্রাম
২.আদা ১ চা চামচ
৩.রসুন ১ চা চামচ
৪.লবণ স্বাদ মতো
৫.সয়া সস ১ চা চামচ
৬. পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ
৮.কাঁচা মরিচকুচি ৪/৫ টি কুচি করা
৯.জিরা এবং ধনিয়া গুড়া ১ চা চামচ
১০.গরম মসলা গুড়া আধা চা চামচ
১১.পাউরুটি ৫ টুকরো
১২. তেল পরিমাণ মতো ( ভাজার জন্য)
১৩.ডিম ১টি
১৪. ব্রেড ক্রাম্প পরিমাণ মতো।

প্রস্তুত প্রনালীঃ-
প্রথমে হাঁড় ছাড়া মাংস কে কিউব করে কেটে  কাঁচা মরিচ  দিয়ে ব্লেন্ডারে সামান্য ব্লেন্ড করে নিই।তারপর তাতে আদা, রসুন,লবন,সয়া সস, পেঁয়াজ,জিরা ধনিয়া, গরম মসলা  এক সাথে মিশিয়ে নিয়ই।এর পর পাউরুটি পানিতে ভিজিয়ে চেপে পানি ঝরিয়ে মিক্স করি।তারপর সব কিছু ভালো মতে মিশিয়ে ছোট ছোট বলের আকার করে নিই। এর পর একটা ডিম ফেটিয়ে তাতে ভিজিয়ে নিয়ে  ব্রেড ক্রাম্পে কোট করে নিই।আর এই প্রণালীটি  ২বার করে করি।তাতে কোটিং টা সুন্দর হবে।
এরপর হাঁড়িতে তেল দিয়ে মিডিয়াম টু লো তে চুলার আঁচে তেল গরম করে নি।আর তেল টা খুব বেশি গরম করা যাবে না।এর পর চুলার আঁচটা আরও একটু কমিয়ে ৫-৭ মিনিট ভাঁজতে থাকি।হয়ে গেলো আমাদের "চিকেন বল" এর পর গরম গরম পছন্দের কোনো ড্রিংকস এর সাথে পরিবেশণ করি মজাদার " চিকেন বল"।

Sunday, May 3, 2020

Homemade Skin care || Lockdown || @Fariha Tabassum

Lockdown Skin care   

Everyone is locked in the house in the lock down. No one can go out anywhere. No one can cut their hair, no one can go shopping, no one can go to the parlor and do facial again. So everyone is upset. Who doesn't love to take care of skin ?? Everyone is interested in keeping themselves beautiful, whether it is a boy or a girl. Although girls are a little ahead of boys but the desire is in everyone.Many people cannot take care of themselves in the busyness of work. We all have skin problems. The sun burns the skin, various types of black head acne are many more problems. Now that we are at home, now is the time to get rid of these problems. And since it is locked down now, all our problems should be solved in a domestic way. Let's learn how to take care of skin at home.

★★Ways to brighten the skin and get rid of acne:
 -  Ingredients: -       
           ★ Bason     
           ★ Rice powder     
           ★Honey     
           ★termaric powder
            ★Rose water

Make a paste by mixing all these ingredients together. Besan increases the radiance of the skin, helps to reduce the impression of age, removes the dryness of the skin. Rice powder cleans the dirt of the skin, helps to reduce blackheads. Honey has an effective role in removing acne and removing acne scars.Takes sweet alternatives to get rid of dead skin. Turmeric powder acts as an antioxidant on the skin. Works to heal acne quickly and reduce acne scars. Rose water brightens the skin.


Skin care can be done easily at home. It has no side effects. This will bring the skin back to life. If you use this pack three days a week regularly, but there will be no problem. And you will stay healthy all the time. And in lock down we don't have to worry about skin care. ☺


লকডাউনে ত্বকের যত্ন 



লক ডাউনে সবাই ঘরে বন্ধী।কোথাও কেউ বের হতে পারছেননা।কেউ চুল কাটাতে পারছেন না, কেউ শপিং করতে পারছেন্না কেউ আবার পার্লারে গিয়ে ফেসিয়াল করতে পারছেন না।তাতে সবারই মন খারাপ।ত্বকের যত্ন নিতে কেই না ভালোবাসে?? ছেলে হউক কিংবা মেয়ে নিজেকে সুন্দর রাখতে সবাই খুব আগ্রহী। যদিও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা একটু এগিয়ে কিন্তু ইচ্ছাটা সবার মধ্যেই আছে।কাজের ব্যস্ততায় অনেকে  নিজের যত্ন নিতে পারে না। আমাদের সবারই ত্বকে কোনো না কোনো সমস্যা থাকে। রোদে ত্বক পুড়ে যায়, নানা রকম ব্ল্যাক হেড ব্রণ আরও অনেক সমস্যা। এখন যেহেতু আমরা ঘরে আছি তাই এসব সমস্যার থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার এখনই সময়। আর যেহেতু এখন লক ডাউন তাই আমাদের সব সমস্যার সমাধান ঘরোয়া উপায়েই করা উচিৎ। চলুন শিখে নিই কিভাবে ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের যত্ন নেওয়া যায়।

★★ ত্বক উজ্জ্বল ও ব্রণ মুক্ত করার উপায়ঃ- 

 উপকরণঃ- 
         ★ বেসন 
         ★ চালের গুড়া 
         ★ মধু
         ★ হলুদ গুড়া 
         ★ গোলাপ জল 
এ সব উপকরণ এক সাথে মিশিয়ে একটা পেস্ট বানাতে হবে।বেসন ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে ত্বকে,বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে,ত্বকের শুষ্কতা দূর করে। চালের গুড়া ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করে, ব্ল্যাকহেড কমাতে সাহায্য করে।মধু ব্রণ দূর করতে এবং ব্রণের দাগ দূর করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। ত্বকের মরা চামড়া বের করতে মধুর বিকল্প নেয়। হ্লুদ গুড়া ত্বকে এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে  কাজ করে। ব্রণ তাড়াতাড়ি সারাতে এবং ব্রণের ক্ষত কমাতে কাজ করে। গোলাপ জল ত্বকে উজ্জ্বল ভাব আনে।

ঘরোয়া উপায়ে খুব সহজেই ত্বকের যত্ন নেওয়া যায়। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এতে ত্বকে প্রাণ ফিরে পাবে।এ প্যাক সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করলে নিয়মিত তবে কোনো সমস্যা হবে না।আর স্বাস্থ্যজ্জ্বল থাকবে সব সময়। আর লক ডাউনে আমাদেরকে ত্বকের যত্ন নিয়ে ভাবতে হবে না। ☺

Wednesday, April 29, 2020

রোজা রাখি, সুস্থ থাকি || বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা || Fariha Tabassum

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে রোজা রোজা রাখা প্রয়োজন। 

মুসলিমরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘সিয়াম’। খ্রিস্টানরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘ফাস্টিং’। হিন্দু বা বৌদ্ধরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘উপবাস’। বিপ্লবীরা না খেয়ে থাকলে, তাকে বলা হয় ‘অনশন’। আর, মেডিক্যাল সাইন্স রোজা রাখলে তাকে বলা হয় 'অটোফেজি’।
খুব বেশি দিন হয়নি, মেডিক্যাল সাইন্স ‘অটোফেজি’র সাথে পরিচিত হয়েছে। ২০১৬ সালে নোবেল কমিটি জাপানের ডাক্তার ‘ওশিনরি ওসুমি’-কে অটোফেজি আবিষ্কারের জন্যে পুরষ্কার দেয়। এরপর থেকে আধুনিক মানুষেরা ব্যাপকভাবে রোজা রাখতে শুরু করে।
 Autophagy কি? এবার তা বলি।
Autophagy শব্দটি একটি গ্রিক শব্দ। Auto অর্থ নিজে নিজে, এবং Phagy অর্থ খাওয়া। সুতরাং, অটোফেজি মানে নিজে নিজেকে খাওয়া।
না, মেডিক্যাল সাইন্স নিজের গোস্ত নিজেকে খেতে বলে না। শরীরের কোষগুলো বাহির থেকে কোনো খাবার না পেয়ে নিজেই যখন নিজের অসুস্থ কোষগুলো খেতে শুরু করে, তখন মেডিক্যাল সাইন্সের ভাষায় তাকে অটোফেজি বলা হয়।
আরেকটু সহজভাবে বলি।
আমাদের ঘরে যেমন ডাস্টবিন থাকে, অথবা আমাদের কম্পিউটারে যেমন রিসাইকেল বিন থাকে, তেমনি আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মাঝেও একটি করে ডাস্টবিন আছে। সারা বছর শরীরের কোষগুলো খুব ব্যস্ত থাকার কারণে, ডাস্টবিন পরিষ্কার করার সময় পায় না। ফলে কোষগুলোতে অনেক আবর্জনা ও ময়লা জমে যায়।
শরীরের কোষগুলো যদি নিয়মিত তাদের ডাস্টবিন পরিষ্কার করতে না পারে, তাহলে কোষগুলো একসময় নিষ্ক্রিয় হয়ে শরীরে বিভিন্ন প্রকারের রোগের উৎপন্ন করে। ক্যান্সার বা ডায়াবেটিসের মত অনেক বড় বড় রোগের শুরু হয় এখান থেকেই।
মানুষ যখন খালি পেটে থাকে, তখন শরীরের কোষগুলো অনেকটা বেকার হয়ে পড়ে। কিন্তু তারা তো আর আমাদের মত অলস হয়ে বসে থাকে না, তাই প্রতিটি কোষ তার ভিতরের আবর্জনা ও ময়লাগুলো পরিষ্কার করতে শুরু করে। কোষগুলোর আমাদের মত আবর্জনা ফেলার জায়গা নেই বলে তারা নিজের আবর্জনা নিজেই খেয়ে ফেলে। মেডিক্যাল সাইন্সে এই পদ্ধতিকে বলা হয় অটোফেজি।
জাস্ট এ জিনিসটা আবিষ্কার করেই জাপানের ওশিনরি ওসুমি (Yoshinori Ohsumi) ২০১৬ সালে নোবেল পুরস্কারটা নিয়ে গেল। শুনেছি প্রফেসর ওশিনরি নিজেও সপ্তাহে দুটি করে রোজা রাখেন। আমার আফসোস হলো তাদের জন্যে, যারা স্বাস্থ্যের কথা ভেবে রোজা রাখেন না! আমরা তো প্রতিবছর একমাস রোজা রেখে শরীরের অটোফেজি করে ফেলি। তাই সব মুসলমান রোজা রাখুন সুস্থ থাকুন
ইসলাম একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা.💙💙💙

You need to fast to stay healthy  


When Muslims fast, it is called 'Siam'. When Christians fast, it is called 'fasting'. When Hindus or Buddhists fast, it is called 'fasting'. If the revolutionaries do not eat, it is called 'hunger strike'. And, if medical science fasts, it is called 'autophagy'.
Not too long ago, medical science became acquainted with autophagy. In 2016, the Nobel Committee awarded the Japanese doctor Oshinori Osumi the prize for his discovery of autophagy. From then on, modern people began to fast extensively.

My pity is for those who do not fast for health! We autophage the body by fasting for one month every year. So all Muslims fast and stay healthy Islam is the only complete system of life


What is autophagy? Let me say that now. The word autophagy is a Greek word. Auto means self, and Phagy means eat. So, autophagy means eating yourself.


No, medical science does not tell you to eat your own meat. When the body's cells start eating their own diseased cells without getting any food from outside, it is called autophagy in the language of medical science.

Let me be a little simpler. Just as we have a dustbin in our house, or we have a recycle bin in our computer, we have a dustbin in every cell of our body. Because the body's cells are so busy throughout the year, they don't have time to clean the dustbin. As a result, a lot of garbage and dirt accumulates in the cells.

If the body's cells can't clean their dustbins regularly, then the cells become inactive and cause various diseases in the body. This is where many big diseases like cancer or diabetes start.

When a person is on an empty stomach, the cells of the body become very useless. But they are no longer as lazy as we are, so each cell begins to clean up its debris and dirt.. Because the cells don't have a place to dump their waste like us, they eat their own waste. In medical science this method is called autophagy.. Just discovering this thing, Yoshinori Ohsumi of Japan took the Nobel Prize in 2016. I have heard that Professor Oshinari himself fasts twice a week..♥♥♥

Wednesday, April 22, 2020

Bangla love story ||, আরও ভালোবাসা চাই || Fariha Tabassum

কিছু  সম্পর্কে দিন বাড়তে বাড়তে মরিচা ধরে যায়। তেমনই এক ভালোবাসার গল্প। 


"সম্পর্কটা যখন শুরু হয়, তখন আমরা ভীষন রকমের কেয়ারিং থাকি!

সকালে ব্রেকফাস্ট থেকে ডিনার পর্যন্ত একজন অন্যজন কে খাবারের কথা মনে করিয়ে দেই!
ব্যপারটা এমন না যে, আমি তাকে খেতে না বললে সে খাবেনা!

ব্যপারটা হলো, সম্পর্কের শুরুর দিকে কেয়ার নেওয়া এবং কেয়ার পাওয়া দুটা বিষয়েই আমরা ভীষন রকমের তৃপ্তি পাই!
ঘন্টায় ৩ বার ফোন দেওয়া! দিনশেষে প্রিয় মানুষের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলা! একজন অসুস্থ হলে, আরেক জনের দুঃশ্চিন্তা হওয়া, সবকিছুই একটু অন্যরকম থাকে!

মাঝেমাঝে মনে হয়, মানুষটাকে ভালোবাসার জন্য এক জীবন যথেষ্ট না!
এরপর অল্প অল্প করে সম্পর্কের ডেফিনেশন বদলাতে শুরু করে!

কেয়ারিং মানুষগুলো ড্যামকেয়ার হয়ে যায়! প্রিয় মুখ মুখস্ত হয়ে যায়! রাত জেগে কথা বলা মানুষটা মধ্যরাতে ঘুমাতে শুরু করে!একজনের অসুস্থ হওয়ার ব্যপারটা আরেক জনের কাছে স্বাভাবিক হতে শুরু করে!

প্রচন্ড জ্বরের ঘোরে যে বিপরীত মানুষটা একসময় মাথায় হাত বুলানোর কথা বলতো, সম্পর্কের বয়স বেড়ে গেলে, সেই মানুষটাই একটা নাপা এক্সট্রা খেয়ে ঘুমিয়ে যাওয়ার কথা বলে!

"টিপ পরলে তোমাকে কি যে সুন্দর লাগে" বলা প্রেমিক এক সময় চোখের নিচে পড়ে যাওয়া কালিও খেয়াল করেনা!

আমরা বেড়িয়ে আসতে শুরু করি, একটা ফ্যান্টাসির জগত থেকে!তারপর একদিন আর সবকিছু আগের মতো চলতে থাকেনা!
সব কেমন এলোমেলো লাগে! মানুষটা অভ্যাস হয়ে গেলেও, একসময় মানুষটাকে আর আপন লাগেনা!
হৃদপিন্ড ভর্তি ভালোবাসা মরে গিয়ে, সেখানে অভিযোগ ঢুকতে শুরু করে!

আহা, ইনসোমেনিয়া জাপ্টে ধরে সমস্ত শহরকে!আমরা তখন শ্বাস-প্রশ্বাস নেই ঠিকই কিন্তু বেঁচে থাকি না!

আমরা আশ্রয়হীন থাকতে পারি না! সবসময় একটা আশ্রয় দরকার হয় আমাদের!

তারপর আমরা দূরে যেতে শুরু করি! একটা নিরাপদ আশ্রয় খুজি!একটু প্রেম খুজি! একটু কেয়ারিং চাই! মাঝেমাঝে দূরে চলে যেতে হয়! দূরে চলে যাওয়াটা জরুরী! দুরত্ব সৃষ্টি না হলে, মানুষ গুলোকে গুরুত্ব বুঝানো যায়না!

মাঝে মাঝে নিজেকে আড়াল করে, মানুষ গুলোকে টের পাইয়ে দিতে হয়,
বুকের কত'টা গভীরে কষ্ট জমে গেলে,মানুষ দূরে চলে যায়....!!!

Sunday, April 19, 2020

অজানা তথ্য || Quotes || Fariha Tabassum

♣ কিছু অবাক করা তথ্যঃ


☞লিওনার্দো দা ভিঞ্চি এর ‘মোনালিসা’ এর কোনো ভ্রু নেই।
-
☞বাজারে যে বারবি পুতুল পাওয়া যায়,তার পুরো নাম হলো বারবারা মিলিসেন্ট রবার্টস।
-
☞পিঁপড়েরা কখনো ঘুমায় না।
-
☞জন্মের পর থেকে আমাদের চোখের আকার সমান থাকে কিন্তু নাক কান বড় হয়।
-
☞চাঁদ যখন আমাদের মাথার সরাসরি উপরে থাকে তখন আমাদের ওজন সামান্য হ্রাস পায়।
-
☞আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল কখনো তার মা কিংবা তার স্ত্রীকে ফোন করেননি। কেননা তারা দুজনেই বধির ছিলেন।
-
☞একটি উটপাখির চোখ তার মস্তিষ্ক থেকে বড়।
-
☞ইংলিশ হ্যাপি বার্থডে গানটির লেখাস্বত্ব রয়েছে।
-
☞প্রজাপতি তার পায়ের পাতা দিয়ে স্বাদ নেয়।
-
☞চোখ খোলা রেখে নাক ডাকা সম্ভব না।
-
☞হাতি একমাত্র প্রাণী যে কিনা বেচারা লাফাতে পারে না।
-
☞পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে কম সময়ের যুদ্ধটি হয়েছিল ১৮৯৬ সালে ইংল্যান্ড আর জাঞ্জিবার
এর মাঝে। যুদ্ধ শুরুর (৩৮ মিনিট এর মাথায় জাঞ্জিবার আত্মসমর্পণ করে নেয়।
-
☞শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী পেশী হলো জিহ্বা।
-
☞মরুভূমির উড়ো ধুলা থেকে রক্ষা করার জন্য উটের চোখের তিনটি পাতা থাকে।
-
☞নিজের দম বন্ধ রেখে নিজেকে মেরে ফেলা সম্ভব না।
-
☞পাকস্থলীকে প্রতি দুই সপ্তাহের মাঝে নতুন শ্লেষ্মার আবরণ তৈরি করতে হয়। নাহলে তা নিজে নিজেকে হজম করে ফেলতো।
-
☞হাঁসের প্যাঁক প্যাঁক শব্দ কখনো প্রতিধ্বনিত হয় না।
-
☞অস্কার পুরস্কার যে ধাতুর তৈরি,তা দুর্লভ হওয়ায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে প্লাস্টারের অস্কার পুরস্কার দেয়া হত।
-
☞কুকুর আর বিড়ালও মানুষের মত ডানহাতি কিংবা বাহাতি হয়ে থাকে।
-
☞মারামারি দৃশ্য ধারণের সময় ব্রুস লি এর হাত পায়ের চালনা এতটাই দ্রুত ছিল যে, ছবি নির্মাতাদের সেই দৃশ্য ধীর গতিতে রূপান্তর করা লাগত।
-
☞বাদুড় গুহা থেকে বের হবার সময় বাম দিকে মোড় নেয়।
-
☞শুক্র একমাত্র গ্রহ,যেটা ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরে।
-
☞মধু একমাত্র খাবার,যা কখনো নষ্ট হয় না।
-
☞ভূমিকম্প হবার সময়কালে সেখানে মথ উড়তে পারে না।
-
☞আঙুলের ছাপের মতন প্রত্যেক মানুষের জিহ্বার ছাপও ভিন্ন হয়।
-
☞ঝামা পাথর হল একমাত্র পাথর,যা অনেক সময় পানির উপর ভাসে।
-
☞প্রাকৃতিক মুক্তা ভিনেগারের মাঝে গলে যায়।
-
☞মানব মস্তিষ্কের ৮০ ভাগই হল পানি।
-
☞মানুষের হাতের নখ পায়ের নখের তুলনায় ৪ গুণ দ্রুত বাড়ে।
-
☞১১১,১১১,১১১ X ১১১,১১১,১১১ = ১২৩৪৫৬৭৮৯৮৭৬৫৪৩২১
-
☞সিগারেটের লাইটার, ম্যাচ আবিষ্কারের পূর্বে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
-
☞ডলফিন একই সময়ে ঘুমাতে ও সাঁতার কাটতে পারে।


★Something unknown information


-Leonardo da Vinci's 'Monalisa' has no eyebrows.

 - Barbara Millicent Roberts is the full name of the Barbie doll found in the market.

- The ants never sleep.

 - From the generation onwards we have the same size of eyes but the nose and ears are bigger.

- When the moon is directly above our head, we lose weight slightly.

Alexander Graham Bell never called his mother or his wife. Because they were both deaf.

- An ostrich's eyes are bigger than his brain.

- English Happy Birthday song has lyrics.

- The butterfly tastes with its foliage.

- It is not possible to call the nose with open eyes.

 - The elephant is the only animal that cannot jump.

- The shortest period of war in the history of the world was England and Zanzibar in the 1896
In the middle of Zanzibar surrenders at the start of the battle (38 minutes)

The most powerful muscle in the body is the tongue.

- Camel eyes have three leaves to protect them from the dust of the plains.

 - It is not possible to kill yourself with the help of Eniz.

- The mucous membrane needs to form a new mucous membrane every two weeks. Otherwise it would digest itself.

 - The sound of swan plank is never echoed.

-The Oscar Prize, made of metal, was rare because of the plaster's Oscar Award during World War II.

 - Cats and cats also have a right-handed or outstretched human appearance.

- Bruce Lee's hand-to-foot movement was so quick to capture the scene that the filmmakers had to slowly convert that scene.

- When he leaves the cave, he turns left.


- God is the only planet that rotates clockwise.

 -Honey is the only food that is never wasted.

 - Moths cannot fly there during the earthquake.

- Like every fingerprint, the impression of each person's tongue is also different.

- Izhama stone is the only stone that floats on water many times.

 - Natural pearls melt in the vinegar.

- Water is the fifth part of the human brain.

 - Human nails grow 3 times faster than nails.

- 111,111,111 ×111,111,111=12345678987654321

 - The lighter of the écigarette, the match was discovered earlier.

- Adolphin can sleep and swim at the same time.


Mobile Photographs Idea || Life Story - Everyday life || Tabassum Tushin

Mobile Photographs idea  Equipment :- 1.Earphone 2.Any book  3.Some Flowers  4.Leaf  5.SmartPhone