Translate

Wednesday, April 29, 2020

রোজা রাখি, সুস্থ থাকি || বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা || Fariha Tabassum

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে রোজা রোজা রাখা প্রয়োজন। 

মুসলিমরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘সিয়াম’। খ্রিস্টানরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘ফাস্টিং’। হিন্দু বা বৌদ্ধরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘উপবাস’। বিপ্লবীরা না খেয়ে থাকলে, তাকে বলা হয় ‘অনশন’। আর, মেডিক্যাল সাইন্স রোজা রাখলে তাকে বলা হয় 'অটোফেজি’।
খুব বেশি দিন হয়নি, মেডিক্যাল সাইন্স ‘অটোফেজি’র সাথে পরিচিত হয়েছে। ২০১৬ সালে নোবেল কমিটি জাপানের ডাক্তার ‘ওশিনরি ওসুমি’-কে অটোফেজি আবিষ্কারের জন্যে পুরষ্কার দেয়। এরপর থেকে আধুনিক মানুষেরা ব্যাপকভাবে রোজা রাখতে শুরু করে।
 Autophagy কি? এবার তা বলি।
Autophagy শব্দটি একটি গ্রিক শব্দ। Auto অর্থ নিজে নিজে, এবং Phagy অর্থ খাওয়া। সুতরাং, অটোফেজি মানে নিজে নিজেকে খাওয়া।
না, মেডিক্যাল সাইন্স নিজের গোস্ত নিজেকে খেতে বলে না। শরীরের কোষগুলো বাহির থেকে কোনো খাবার না পেয়ে নিজেই যখন নিজের অসুস্থ কোষগুলো খেতে শুরু করে, তখন মেডিক্যাল সাইন্সের ভাষায় তাকে অটোফেজি বলা হয়।
আরেকটু সহজভাবে বলি।
আমাদের ঘরে যেমন ডাস্টবিন থাকে, অথবা আমাদের কম্পিউটারে যেমন রিসাইকেল বিন থাকে, তেমনি আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মাঝেও একটি করে ডাস্টবিন আছে। সারা বছর শরীরের কোষগুলো খুব ব্যস্ত থাকার কারণে, ডাস্টবিন পরিষ্কার করার সময় পায় না। ফলে কোষগুলোতে অনেক আবর্জনা ও ময়লা জমে যায়।
শরীরের কোষগুলো যদি নিয়মিত তাদের ডাস্টবিন পরিষ্কার করতে না পারে, তাহলে কোষগুলো একসময় নিষ্ক্রিয় হয়ে শরীরে বিভিন্ন প্রকারের রোগের উৎপন্ন করে। ক্যান্সার বা ডায়াবেটিসের মত অনেক বড় বড় রোগের শুরু হয় এখান থেকেই।
মানুষ যখন খালি পেটে থাকে, তখন শরীরের কোষগুলো অনেকটা বেকার হয়ে পড়ে। কিন্তু তারা তো আর আমাদের মত অলস হয়ে বসে থাকে না, তাই প্রতিটি কোষ তার ভিতরের আবর্জনা ও ময়লাগুলো পরিষ্কার করতে শুরু করে। কোষগুলোর আমাদের মত আবর্জনা ফেলার জায়গা নেই বলে তারা নিজের আবর্জনা নিজেই খেয়ে ফেলে। মেডিক্যাল সাইন্সে এই পদ্ধতিকে বলা হয় অটোফেজি।
জাস্ট এ জিনিসটা আবিষ্কার করেই জাপানের ওশিনরি ওসুমি (Yoshinori Ohsumi) ২০১৬ সালে নোবেল পুরস্কারটা নিয়ে গেল। শুনেছি প্রফেসর ওশিনরি নিজেও সপ্তাহে দুটি করে রোজা রাখেন। আমার আফসোস হলো তাদের জন্যে, যারা স্বাস্থ্যের কথা ভেবে রোজা রাখেন না! আমরা তো প্রতিবছর একমাস রোজা রেখে শরীরের অটোফেজি করে ফেলি। তাই সব মুসলমান রোজা রাখুন সুস্থ থাকুন
ইসলাম একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা.💙💙💙

You need to fast to stay healthy  


When Muslims fast, it is called 'Siam'. When Christians fast, it is called 'fasting'. When Hindus or Buddhists fast, it is called 'fasting'. If the revolutionaries do not eat, it is called 'hunger strike'. And, if medical science fasts, it is called 'autophagy'.
Not too long ago, medical science became acquainted with autophagy. In 2016, the Nobel Committee awarded the Japanese doctor Oshinori Osumi the prize for his discovery of autophagy. From then on, modern people began to fast extensively.

My pity is for those who do not fast for health! We autophage the body by fasting for one month every year. So all Muslims fast and stay healthy Islam is the only complete system of life


What is autophagy? Let me say that now. The word autophagy is a Greek word. Auto means self, and Phagy means eat. So, autophagy means eating yourself.


No, medical science does not tell you to eat your own meat. When the body's cells start eating their own diseased cells without getting any food from outside, it is called autophagy in the language of medical science.

Let me be a little simpler. Just as we have a dustbin in our house, or we have a recycle bin in our computer, we have a dustbin in every cell of our body. Because the body's cells are so busy throughout the year, they don't have time to clean the dustbin. As a result, a lot of garbage and dirt accumulates in the cells.

If the body's cells can't clean their dustbins regularly, then the cells become inactive and cause various diseases in the body. This is where many big diseases like cancer or diabetes start.

When a person is on an empty stomach, the cells of the body become very useless. But they are no longer as lazy as we are, so each cell begins to clean up its debris and dirt.. Because the cells don't have a place to dump their waste like us, they eat their own waste. In medical science this method is called autophagy.. Just discovering this thing, Yoshinori Ohsumi of Japan took the Nobel Prize in 2016. I have heard that Professor Oshinari himself fasts twice a week..♥♥♥

Wednesday, April 22, 2020

Bangla love story ||, আরও ভালোবাসা চাই || Fariha Tabassum

কিছু  সম্পর্কে দিন বাড়তে বাড়তে মরিচা ধরে যায়। তেমনই এক ভালোবাসার গল্প। 


"সম্পর্কটা যখন শুরু হয়, তখন আমরা ভীষন রকমের কেয়ারিং থাকি!

সকালে ব্রেকফাস্ট থেকে ডিনার পর্যন্ত একজন অন্যজন কে খাবারের কথা মনে করিয়ে দেই!
ব্যপারটা এমন না যে, আমি তাকে খেতে না বললে সে খাবেনা!

ব্যপারটা হলো, সম্পর্কের শুরুর দিকে কেয়ার নেওয়া এবং কেয়ার পাওয়া দুটা বিষয়েই আমরা ভীষন রকমের তৃপ্তি পাই!
ঘন্টায় ৩ বার ফোন দেওয়া! দিনশেষে প্রিয় মানুষের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলা! একজন অসুস্থ হলে, আরেক জনের দুঃশ্চিন্তা হওয়া, সবকিছুই একটু অন্যরকম থাকে!

মাঝেমাঝে মনে হয়, মানুষটাকে ভালোবাসার জন্য এক জীবন যথেষ্ট না!
এরপর অল্প অল্প করে সম্পর্কের ডেফিনেশন বদলাতে শুরু করে!

কেয়ারিং মানুষগুলো ড্যামকেয়ার হয়ে যায়! প্রিয় মুখ মুখস্ত হয়ে যায়! রাত জেগে কথা বলা মানুষটা মধ্যরাতে ঘুমাতে শুরু করে!একজনের অসুস্থ হওয়ার ব্যপারটা আরেক জনের কাছে স্বাভাবিক হতে শুরু করে!

প্রচন্ড জ্বরের ঘোরে যে বিপরীত মানুষটা একসময় মাথায় হাত বুলানোর কথা বলতো, সম্পর্কের বয়স বেড়ে গেলে, সেই মানুষটাই একটা নাপা এক্সট্রা খেয়ে ঘুমিয়ে যাওয়ার কথা বলে!

"টিপ পরলে তোমাকে কি যে সুন্দর লাগে" বলা প্রেমিক এক সময় চোখের নিচে পড়ে যাওয়া কালিও খেয়াল করেনা!

আমরা বেড়িয়ে আসতে শুরু করি, একটা ফ্যান্টাসির জগত থেকে!তারপর একদিন আর সবকিছু আগের মতো চলতে থাকেনা!
সব কেমন এলোমেলো লাগে! মানুষটা অভ্যাস হয়ে গেলেও, একসময় মানুষটাকে আর আপন লাগেনা!
হৃদপিন্ড ভর্তি ভালোবাসা মরে গিয়ে, সেখানে অভিযোগ ঢুকতে শুরু করে!

আহা, ইনসোমেনিয়া জাপ্টে ধরে সমস্ত শহরকে!আমরা তখন শ্বাস-প্রশ্বাস নেই ঠিকই কিন্তু বেঁচে থাকি না!

আমরা আশ্রয়হীন থাকতে পারি না! সবসময় একটা আশ্রয় দরকার হয় আমাদের!

তারপর আমরা দূরে যেতে শুরু করি! একটা নিরাপদ আশ্রয় খুজি!একটু প্রেম খুজি! একটু কেয়ারিং চাই! মাঝেমাঝে দূরে চলে যেতে হয়! দূরে চলে যাওয়াটা জরুরী! দুরত্ব সৃষ্টি না হলে, মানুষ গুলোকে গুরুত্ব বুঝানো যায়না!

মাঝে মাঝে নিজেকে আড়াল করে, মানুষ গুলোকে টের পাইয়ে দিতে হয়,
বুকের কত'টা গভীরে কষ্ট জমে গেলে,মানুষ দূরে চলে যায়....!!!

Sunday, April 19, 2020

অজানা তথ্য || Quotes || Fariha Tabassum

♣ কিছু অবাক করা তথ্যঃ


☞লিওনার্দো দা ভিঞ্চি এর ‘মোনালিসা’ এর কোনো ভ্রু নেই।
-
☞বাজারে যে বারবি পুতুল পাওয়া যায়,তার পুরো নাম হলো বারবারা মিলিসেন্ট রবার্টস।
-
☞পিঁপড়েরা কখনো ঘুমায় না।
-
☞জন্মের পর থেকে আমাদের চোখের আকার সমান থাকে কিন্তু নাক কান বড় হয়।
-
☞চাঁদ যখন আমাদের মাথার সরাসরি উপরে থাকে তখন আমাদের ওজন সামান্য হ্রাস পায়।
-
☞আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল কখনো তার মা কিংবা তার স্ত্রীকে ফোন করেননি। কেননা তারা দুজনেই বধির ছিলেন।
-
☞একটি উটপাখির চোখ তার মস্তিষ্ক থেকে বড়।
-
☞ইংলিশ হ্যাপি বার্থডে গানটির লেখাস্বত্ব রয়েছে।
-
☞প্রজাপতি তার পায়ের পাতা দিয়ে স্বাদ নেয়।
-
☞চোখ খোলা রেখে নাক ডাকা সম্ভব না।
-
☞হাতি একমাত্র প্রাণী যে কিনা বেচারা লাফাতে পারে না।
-
☞পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে কম সময়ের যুদ্ধটি হয়েছিল ১৮৯৬ সালে ইংল্যান্ড আর জাঞ্জিবার
এর মাঝে। যুদ্ধ শুরুর (৩৮ মিনিট এর মাথায় জাঞ্জিবার আত্মসমর্পণ করে নেয়।
-
☞শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী পেশী হলো জিহ্বা।
-
☞মরুভূমির উড়ো ধুলা থেকে রক্ষা করার জন্য উটের চোখের তিনটি পাতা থাকে।
-
☞নিজের দম বন্ধ রেখে নিজেকে মেরে ফেলা সম্ভব না।
-
☞পাকস্থলীকে প্রতি দুই সপ্তাহের মাঝে নতুন শ্লেষ্মার আবরণ তৈরি করতে হয়। নাহলে তা নিজে নিজেকে হজম করে ফেলতো।
-
☞হাঁসের প্যাঁক প্যাঁক শব্দ কখনো প্রতিধ্বনিত হয় না।
-
☞অস্কার পুরস্কার যে ধাতুর তৈরি,তা দুর্লভ হওয়ায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে প্লাস্টারের অস্কার পুরস্কার দেয়া হত।
-
☞কুকুর আর বিড়ালও মানুষের মত ডানহাতি কিংবা বাহাতি হয়ে থাকে।
-
☞মারামারি দৃশ্য ধারণের সময় ব্রুস লি এর হাত পায়ের চালনা এতটাই দ্রুত ছিল যে, ছবি নির্মাতাদের সেই দৃশ্য ধীর গতিতে রূপান্তর করা লাগত।
-
☞বাদুড় গুহা থেকে বের হবার সময় বাম দিকে মোড় নেয়।
-
☞শুক্র একমাত্র গ্রহ,যেটা ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরে।
-
☞মধু একমাত্র খাবার,যা কখনো নষ্ট হয় না।
-
☞ভূমিকম্প হবার সময়কালে সেখানে মথ উড়তে পারে না।
-
☞আঙুলের ছাপের মতন প্রত্যেক মানুষের জিহ্বার ছাপও ভিন্ন হয়।
-
☞ঝামা পাথর হল একমাত্র পাথর,যা অনেক সময় পানির উপর ভাসে।
-
☞প্রাকৃতিক মুক্তা ভিনেগারের মাঝে গলে যায়।
-
☞মানব মস্তিষ্কের ৮০ ভাগই হল পানি।
-
☞মানুষের হাতের নখ পায়ের নখের তুলনায় ৪ গুণ দ্রুত বাড়ে।
-
☞১১১,১১১,১১১ X ১১১,১১১,১১১ = ১২৩৪৫৬৭৮৯৮৭৬৫৪৩২১
-
☞সিগারেটের লাইটার, ম্যাচ আবিষ্কারের পূর্বে আবিষ্কৃত হয়েছিল।
-
☞ডলফিন একই সময়ে ঘুমাতে ও সাঁতার কাটতে পারে।


★Something unknown information


-Leonardo da Vinci's 'Monalisa' has no eyebrows.

 - Barbara Millicent Roberts is the full name of the Barbie doll found in the market.

- The ants never sleep.

 - From the generation onwards we have the same size of eyes but the nose and ears are bigger.

- When the moon is directly above our head, we lose weight slightly.

Alexander Graham Bell never called his mother or his wife. Because they were both deaf.

- An ostrich's eyes are bigger than his brain.

- English Happy Birthday song has lyrics.

- The butterfly tastes with its foliage.

- It is not possible to call the nose with open eyes.

 - The elephant is the only animal that cannot jump.

- The shortest period of war in the history of the world was England and Zanzibar in the 1896
In the middle of Zanzibar surrenders at the start of the battle (38 minutes)

The most powerful muscle in the body is the tongue.

- Camel eyes have three leaves to protect them from the dust of the plains.

 - It is not possible to kill yourself with the help of Eniz.

- The mucous membrane needs to form a new mucous membrane every two weeks. Otherwise it would digest itself.

 - The sound of swan plank is never echoed.

-The Oscar Prize, made of metal, was rare because of the plaster's Oscar Award during World War II.

 - Cats and cats also have a right-handed or outstretched human appearance.

- Bruce Lee's hand-to-foot movement was so quick to capture the scene that the filmmakers had to slowly convert that scene.

- When he leaves the cave, he turns left.


- God is the only planet that rotates clockwise.

 -Honey is the only food that is never wasted.

 - Moths cannot fly there during the earthquake.

- Like every fingerprint, the impression of each person's tongue is also different.

- Izhama stone is the only stone that floats on water many times.

 - Natural pearls melt in the vinegar.

- Water is the fifth part of the human brain.

 - Human nails grow 3 times faster than nails.

- 111,111,111 ×111,111,111=12345678987654321

 - The lighter of the écigarette, the match was discovered earlier.

- Adolphin can sleep and swim at the same time.


Bangla love story || কাল্পনিক ভালোবাসার গল্প || Fariha Tabassum

কাল্পনিক এক ভালোবাসার গল্প  


ফেসবুকে টুকটাক লেখালেখি করতাম। বলতে গেলে একদম আনাড়ি টাইপের লেখা। ছেলেদের কাঁদতে নেই, তবুও জীবনে দুবার কেঁদেছিলাম। যেটাকে গুমড়িয়ে গুমড়িয়ে কান্না বলে। প্রথমত, প্রথম ফেসবুক আইডি হারিয়ে। আর দ্বিতীয়টা, আজ যার জন্য এই লেখাটা, তার জন্য।

মানুষের জীবনে প্রেম ধরা দেয়, শৈশব অথবা কিশোর বয়সে। আমার বেলা তার উল্টা। আমার শৈশবে প্রেম আসেনি। স্কুল, বিদ্যালয়, কলেজ কিংবা ভার্সিটিতেও আসেনি। যখন আসলো তখন আমি, তেইর বছরের। খুব অদ্ভূত ভাবে। কোন এক গল্পের প্লট থেকে নেমে আশা কল্পময়ী রুপে। উঁহু, এত সহজ ছিলো না প্রেমটা। মুনের অশ্রু নামে একটা ধারাবাহিক গল্প লিখছিলাম। যেহেতু ধারাবাহিক গল্প ছিলো, তাই কোন পর্বে তার কমেন্ট। পুরো কমেন্টস বক্স জুড়ে তার কমেন্টসটাই ছিলো অন্যরকম। যেখানে, গুণীদের কদর হয় না, সেখানে গুণীরা জন্মায় না। কথা তার কমেন্টসে দারুন ভাবে ফুটিয়ে তুলে ছিলো। কোন কমেন্টসের রিপলে না দাওয়া আমি তার কমেন্টসের রিপলে দিয়ে বসলাম। কমেন্টসের রিপলে বাড়তে থাকলো। কমেন্টস পেরিয়ে সে হুট করে এসে ঢুকে পড়লো লিষ্টে। পুরো গল্পটায় রোমাঞ্চে টইটুম্বুর করছিলো। পাঠকরা ধরেই নিয়েছিলো এন্ডিংটাও অনেক রোমাঞ্চময় হবে। পৃথিবীতে দুটো জিনিস একদম বিশ্বাস করতে নেই। প্রথমটা, লেখকদের। আর দ্বিতীয়টা, যে মহয়সী একবার সব ত্যাগ করে চলে যায়, তার প্রস্থান। গল্পের এন্ডিংটা অনেক দুঃখের ছিলো। এত দুঃখ যে, মেসেজে দু'চার জন পাঠিকা শাসিয়ে দেয়। এমন এন্ডিং দিলে, লেখককে গুম করে দিবে। তবে, আমার অবাঞ্চিত মন কারো মেসেজের হা হুতাশ করছে। সেই কাঙ্খিত মেসেজ এলো। তখন রাতের মধ্যভাগ শেষ। তবে, সে অন্য সবার মত শাসায়নি। মৃদু করে বলেছিলো..
-লেখক কি ছ্যাকা খেয়েছিলো আগে? তা নাহলে লেখক পাঠকদের আবেগ নিয়ে খেলতে ভালবাসে। সত্যি, প্রত্যেকটা লেখকই পাঠকদের আবেগ নিয়ে খেলতে ভালবাসে। লেখকদেরই বা দোষ কি? আমরা যে বড্ড আবেগী জাতি। আমাদের বাস্তবে টানে না। পেটের খোরাক না থাকুক, আবেগ থাকা চাই!

এভাবে আস্তে আস্তে তার সাথে চ্যাটিং বাড়ে, রাত বাড়ে। রাত ফুরায়, দিন গড়ায়। আবার রাত হয়। আমাদের কথা ফুরায় না। ঠিক ভালবাসা হয়েও হয় না। এত কথা বলা হয় আসল, কথাই বলা হয় না।

যেহেতু, আগে প্রেম-ভালবাসা টানেনি। তাই এটা বুঝেও বুঝতে পারি না। সত্যিকারের প্রেমকে আবেগ, আর আবেগকে প্রেম মনে হয়। বাস্তবেও জিবনও তাই। আমরা সর্বদা ভুল মানুষের প্রেম পড়ি।

আমরা অনেক ভাল বন্ধু হয়ে যাই। আমি তার কন্ঠের, সে আমার গল্পের। প্রতিরাতে তাকে নতুন নতুন গল্প পড়ে শুনাতাম। সে শান্ত দিঘীর জলের মত শুনত আমার আবৃত্তি। মাঝে মাঝে বলে বসতো..
-কবিতা আবৃতি হয় জানতাম। গল্পও যে আবৃত্তি হয়, তাও এত দারুন ভাবে তা তো জানতাম না।

যেহেতু, একই শহরে ছিলাম। দূরত্বটা ছিলো বেশ তাই দেখা হত না। এমনকি সে কখনও আমাকে দেখতে চায়নি। আমিও তাকে। হুট করে একটি বলে বসি, ইরা চলো আমরা দেখা করি।

ইরা, কোন কথা বলেনি। লাইনটাও কাটেনি! চুপ করে থেকে ছিলো কয়েক মূহুর্ত, কয়েক মিনিট। এই কয়েক মিনিটেই মনে হয়েছে আমি ইরাকে ভালবাসি। অনেক বেশী ভালবাসি। তার এই কয়েক মিনিট নিরবতা আমার মনে ঝড় তুলেছিলো, কাল বৈশাখী ঝড়। তাকে হারিয়ে ফেলার ভয়ে না, তার স্বচ্ছ জলের ঝর্নাধারার মত কন্ঠ না শোনার ভয়ে। নিরবতা ভেঙ্গে নয়নাই বলেছিলো..
-নেভী ব্লু পান্জাবী আছে?

-নাহ, নেই।

-কাল সকালে কিনে নিবেন। আর একটা বিকাশের দোকান থেকে নাম্বার দিবেন আমায়।

আশ্চর্য হলেও সত্য আমার নাম্বার ইরার কাছে ছিলো না, ইরাও নাম্বার আমার কাছে নাই। আমাদের কথা হত, ম্যাসেন্জারে। আমরা কথা বলতাম, আইফ্রেল টাওয়ার গড়ার কথা, তাজমহল গড়ার কথা, ইউসুফ-জুলেখার কথা, মুহাম্মদ (সঃ)-খাদিজা, আয়শার কথা। আমরা কোন টপিক কোথায় গিয়ে থেমে যেত, জানতাম না। সত্যি জানতাম না। ক্রমশই, এই মেয়ের মায়ার পড়ছিলাম আমি। এই মায়া কাটা দায়, বড্ড দায়। আমার খুব করে মনে আছে, একবার ইরা তিনদিন অফলাইনে ছিলো। ঠিক সেই তিনদিনই আমার জ্বর ছিলো, গা পুড়ে যাওয়া জ্বর। অসহ্য মাথা ব্যাথা, ব্যাথায় কাঁকড়াতে কাঁকড়াতে বমি করি। মুখ ফুরে বমি। তিনদিনে আমি একদলা খাবার মুখে তুলতে পারিনি। মনে হচ্ছিলো আমি মারা যাচ্ছি। আস্তে আস্তে মৃত্যু নামক বাহনটা আমার কাছে আসছে। খুব ইচ্ছা করছিলো ইরার সাথে একটু কথা বলি। ইরা যে বড্ড রহস্যময়ী তাই তার কন্টাক্ট নাম্বার দেয়নি আমায়। অথচ, তিনদিনের খুদা, দূর্বিসহ্য মাথা ব্যাথা, গা পুড়ে যাওয়া জ্বর নিমিষেই ভাল হয়ে যায় ইরাকে অনলাইনে দেখে।

সকাল নয়টা। খন্দকার টাওয়ারে বিকাশের দোকানের সামনে দাড়িয়ে আছি। ইরা নাম্বার নিয়েছে। টাকা দেবে। আমি মানা করলে বলতো, আমাকে আপনি বন্ধু ভাবেন না তাই তো। নিতে হবে না আমার টাকা। অপারক আমি ইরার দেওয়া টাকা নিয়ে খন্দকার টাওয়ারে ঢুকি। অনেক খুঁজে নেভী ব্লু পান্জাবি না পেয়ে ইরাকে নক্ দেই। ইরা তাচ্ছিলো মেরে বলে..
-আপনি কিসের লেখক? এত ভাল গল্প লেখেন অথচ, নেভী ব্লু কালার চিনেন না? চিনেনটা কি?

ইরার পছন্দে পান্জাবি নেই, তাও পান্জাবি লাইনে করে ছবি তুলো ইরাকে দাওয়ার পর। ইরা ই বলে দিয়েছিলো কোনটা নিতে হবে।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৭। দুপুর দুইটা। ধর্মসাগরপাড়ে দাড়িয়ে আছি। নাটক, গল্প সবখানে দেখে, পড়ে এসেছি মেয়েরা আগে আসে ছেলেরা পরে। আমার ক্ষেত্রে
হয়েছিলো উল্টা। ইরা পাক্কা এক ঘন্টা লেট করে আসে। তখন আমি বিরক্তি'র চরম শিখরে। ইরা মেসেজ করে সে ধর্মসাগর পাড়ে। আগে কখনও ইরাকে দেখিনি। আর ইরা এখন নাকি পড়ে আছে নেভী ব্লু ম্যাচিং করে বোরকা আর হিজাব। আমার ইরাকে চিনতে হয়নি, ইরা ই আমাকে চিনে নেয়। ইরা আমি ধর্মসাগর পাড়ের এগলি দিয়ে ঢুকে শিশু পার্কের গলি দিয়ে বেরিয়ে যাই। ইরা আমাকে নিয়ে পুরো শহর ঘুরবে আজ। রিক্সায় উঠে আমাকে উঠতে বলে। আজকাল শহরের রিক্সাগুলো কাপলদের জন্য সুখ্যকর। আমার মত আধা ঝোলাদের জন্য অনুতাপের। ইরা রিক্সায় বসার পর যে জায়গাটুকু আছে তাতে একটা ছোট বাচ্চাকে বসানো যাবে। আমি উঠলে ইরার শরীর আমার শরীর মেখে একাকার হয়ে যাবে। অথচ, ইরা আগেই বলেছে তাকে, তার আঙুল কিংবা হাত ভুলেও যেন স্পর্শ করা চেষ্টা করি। আমার এমন মূর্তিয়মান দাড়িয়ে থাকা দেখে ইরা বলে..
-এতটুকুন ছাড় দাওয়া যেতে পারে। তার বাহিরে কিছু না।

বারফি রেস্টুরেন্টেরর সামনে যেতেই ইরা বলে, তার খুব খিদা লাগছে। দুপুরের তাড়াহুড়োয় খেয়ে আসেনি। রিক্সা থামিয়ে ইরা বারফিতে ঢুকে পড়ে। মাসের শেষ টানাটানিতে আছি। ছোট একটা  চাকরি করলেও মাসের আট তারিখের আগে সেলারী অসম্ভব। রুমমেটের থেকে দুশো টাকা ধার নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু বারফির মেন্যু দেখে, রীতিময় কালো ঘাম ছুটছিলো। ইরা মেন্যু উল্টে দুই প্লেট বিরিয়ানি আনতে বলে। আঁড় চোখে দেখে নিয়েছি প্লেট ১৬০টাকা। তারমানে দু'প্লেট ৩২০ টাকা। আমার কাছে সব মিলিয়ে ২৫০ টাকা হবে। বাকি ৭০টাকাই এখন গলার কাঁটা।
লজ্জায়, চিন্তায় বিরিয়ানি আমার গলা দিয়ে নামে না। ভিতর থেকে নাড়া দিয়ে উঠছে, রাব্বি আজ তোর উজ্জতের ফালুদা বাজবে!

ইরা আয়েশ করে বিরিয়ানি শেষ করে লাচ্ছি অর্ডার করে। এবার আমার ধম আটকে যাবার উপক্রম। ৭০টাকার বিনিময় না হয় হাতের ঘড়িটা দেয়া যেত। এবার মোবাইলটাই দিতে হবে।

বিল নিয়ে দাড়িয়ে আছে ওয়েটার। আমতা আমতা করে পকেটে হাত দিতেই ইরা, পাঁচশো টাকার একটা নোট বাড়িয়ে দেয় ওয়েটারের দিকে। আমি লজ্জামাখা কন্ঠে বলি..
-আমি দিচ্ছি।

ইরা ভ্রুকুঁচকে তাকিয়ে বলে, তাই!
আমি কিছু বলতে পারি না। মনে মনে বলি..
-হে ধরণী দ্বিধা হও, আমি তোমার ভিতরে প্রবেশ করি।

-লেখক সাহেব, আপনি লেখায় যতটা পটু। চেহারায় ততটা নয়। আমার কাছে যে টাকা নেই, তা আপনার চেহারাই বলে দিচ্ছে।

-আর কিছু বলে কি এই চেহারা?

-পাঠকদের কাঁদাতে মজা পায়।

ইরা বুঝেও অবুঝের মত করছে। আমার মনে চলতে থাকা ঝড়টা দেখেও ইরা দেখে না। তবে কি আমাকে নিয়ে ইরা তেমন কিছুই ভাবে না!

জীবনের অন্যতম একটা দিন গেল আজ। নারী বিদ্বেষী আমি এখন ইরার আঁচলে বাধা পড়তে  চাই।

রাত আটটায় ফোন আসে ভাইয়া, এক্সিডেন্ট করে সদর হাসপাতালে আছে। ফোনে চার্জ ছিলো না, তাই ফোন চার্জে দিয়েই সদর হাসপাতালে যাই। আমার বাসা থেকে সদর হাসপাতাল দশমিনিটের রাস্তা। আর যিনি এক্সিডেন্ট করছে, তিনি আমার ফুফাতো ভাই। হাসপাতাল থেকে এগারোটার দিকে বাসায় এসে ফেসবুকে ঢুকেই চোখ ছানাবানা। ইরা ছোট একটা পোস্ট করেছে। নির্মেলেন্দূ এর বলছি না ভালবাসতে হবে এর কয়েকটা লাইন। ট্যাগটা আমাকে। তার নিচের পোস্টটা আরও বড়সড় একটা বজ্রপড়ার মত। ইরা রিলেশনশিপ দিয়েছে আমার সাথে। সেখানে অনেক পাঠকই কমেন্টস করেছে। ছেলেরা অভিনন্দন জানালেও মেয়েরা মেনে নিতে পারেনি, তাই তো কেউ কেউ কটু ভাষায় কমেন্টস করেছে। ইরা আমাকে অনলাইনে দেখে কল দেয়। কান্না জড়িত কন্ঠে বলে..
-আমি দুষ্টুমি করার জন্য দিয়েছি, কিছু মনে করবেন না। আমি পোস্টটা ডিলেট করে দিচ্ছি।

-ইরা, তুমি আমাকে ভালবাসো?

-বললাম তো দুষ্টুমির ছুঁতে দিয়েছি।

-ইরা, জানো তোমার মনে আমার জন্য ভালবাসা আছে কি না এটা জানার জন্য কত দোটায় ছিলাম। তুমি মাঝখানে তিনদিন ছিলে না। ওই তিনদিনই, আমি আকন্ঠ দহনে পুড়েছি, পুড়েছি অশ্রু সিক্ত নয়নে। জ্বর আমার গা না পোড়ালেও তোমার না আসাটা হৃদয় পুড়িয়েছিলো। আজ একপশলা বৃষ্টি ছিটিয়ে তাও ফেরৎ চাইছো?

ইরা কোন কথাই বলেনি।

-ইরা, আমার গল্পের চরিত্র হবে, যে গল্পে কোন বিষাদ থাকবে না, রোমাঞ্চের চরম শিখরে থাকবে গল্পগুলো। সব গল্পই কথা বলবে আমাদের ভালবাসায় মাতানো দিনের কথা, রাতের কথা। শহরতলী কাঁপানো প্রেমের গল্প। আমার বৃদ্ধ বয়সের লাঠি হবে? যখন আমি হাঁটতে পাব না, তখন আমার দৃষ্টিহীন চোখের দৃষ্টি হয়েও। আর কিছু না! পারবে?

-সত্যিই আর কিছু না? এতটুকুন এ আমার যে পুষবে না! আমার আরও চাই। পৃথিবী উজার করা ভালবাসা চাই।

-পৃথিবীর সকল সুখ তোমার আমার হবে। তুমি শুধু আমার হও।

-হব তো পাগল। আমি তো তোমারই..

এভাবেই আমাদের ভালবাসার গল্পটা শুরু হয়।

Monday, April 13, 2020

Movie Riview || Astittow - অস্তিত্ব || Anonno Mamun

Movie:Astittow

Director: Anonno Mamun.

 Producer: Carlos Saleh.
 Author: Someshwar Oli (dialogue),
 Anonno Mamun (Dialogue).
Length: 185minutes.
Release:2016

For the first time ever, Nusrat Imroz Tisha, a young actress, is acting in a commercial movie. The viewer's interest in 'existence' was more than confidence in Tisha's past works. Again, Aisha, a young lady, will be paired with Tisha. In all, the pair had a different interest in chemistry.


The story of existence has developed with children with mental disabilities, where it is only natural to have a separate message of social awareness. However, the documentary will not feel like a conscious monologue, but the director will shake the emotions of the audience in the story. The beginning of the movie, though the audience will feel the old disappointment, this time, I understand that some dialogue and dirty talk will have to be caught! But before the upset, the story of the movie will drag them back.


Early in the show, Tisha's younger brother's love scene with his classmates and a song seemed perfectly suited for the movie. The ingenuity of newcomers and the inefficiency of painting could not be covered even with good technology cameras. The story of the entire movie has developed mainly in Srimangale, which can be called the new face of the current Bengali cinema. Many times when the framing of natural beauty can not match the clothes or lifestyle of the artisans with the people of the area, the manufacturers have done so.



However unrealistic or hulastool's turn is over there, the rest of the eye will see the impression of sufficient care. The director has introduced intelligence on different sides of the story. Like Tisha arriving at a school for mental retardation, being a little different from everyone else. Many different things have kept the story interesting at the end. What will be the end result of this Bengali movie as always, the viewer will not be so easy to catch. The story of 'existence' had a purpose; The story is also arranged accordingly.
Each layer will gradually be made in front of the viewer's eyes, thereby maintaining interest. Relationships with the main characters of the movie can be established, so it is worth mentioning that this time as a producer is a Anonno Mamun.


According to the story of the movie, the selection of the craft was quite right. The 20-year-old mentally retarded girl looks like a fairy godmother and does not do so well without anyone. At the same time, a happy and mercurial teacher, Into the character of the teacher, has become a happy match. Both Shubh and Tisha have already formed separate fans by proving themselves through acting. Happy ten as a patient teacher. In the same way, Tisha's acting as a disabled woman once again attracted fascination.The relationship of a teacher with a teacher with his or her disabilities is not often seen. With this in mind, the director has shown the whole story of their relationship building up. As a result, the chemistry of Happy-Tisha is the biggest attraction of this movie, which will touch the hearts of the viewers.

Sucharita, the actress of the year as a Pari mother, was modest, and no one saw her acting as extravagant. Even a handicapped child has performed fluently.

Although Munciana's imprint on story, screenplay, acting and directing, the painstakingness of the film is much greater. It was possible to better capture the green beauty of Srimangal. However, from the point of view of the edit, it completely failed. The movie is a shining proof of how inefficient editing can ruin a good movie. Such a rapid change of scene at different points of the story will often distract the viewer.

The existence 'is not built on any traditional genre story, but still the director of all sorts of commercial films has kept it. Every song in the movie is sweet and beautiful to watch. Different times, the songs show up in the gaps in the story but don't seem to fit. And the 'item' song means that the dress is not a dress, but the makers have explained that Tisha's black palazzo and coat are dancing.


The director, who knows the Anonno Mamun through 'blackmail', will be surprised if he sees 'existence'. Because the Hindi movie 'Gunday' has created an exact duplicate of 'blackmail' that the director, in his hands can make a film like 'existence', it is surprising!

Not a word, it is not new to complain that many makers or film makers can not make films despite lack of talent. But in terms of productivity, advertising in cinemas is diminishing day by day, which may seem like a movie, we have come to see advertising.


All in all, one can easily put into existence the good films released in the 2016 after 'Krishnapak'. Our creators still have to work hard to win the hearts of Hollywood or Bollywood lovers. However, as a creator, the unique attempt to overcome the wrongs of Mamun will be noticed in this movie.




Saturday, April 4, 2020

Book Review || Nishithinie - নিশীথিনী || HumayunAhmed

উপন্যাস  : নিশীথিনী

ঔপন্যাসিক   :হুমায়ূন আহমেদ।

ধরণ : রহস্য, অলৌকিক

শুরুতেই মিসির আলি কলেজে যাচ্ছেন
রিকশায়। ক্লাস নেবার জন্য, তবে
রিকশাচালক এতো দেরি করছে পৌছাতে।
বিরক্ত হয়ে নেমে ভাড়ার চেয়ে বেশি অর্থ
দেন। তার ধারণা " এরা অসুখী
মানুষ। নিজেদের ব্যক্তিগত যন্ত্রণা এরা–
অন্যদের ওপর চাপিয়ে দিতে চেষ্টা করে।"
ক্লাসে শুধুমাত্র একজন ঘোমটা দেওয়া
ছাত্রী। আলাপচারিতায় জানতে পারে সে
নীলু। খুব প্রয়োজনে মিসির আলীর সাথে
দেখা করতে এসেছে।
"
কোনোএক
বিচিত্র কারণে তাকে অবিকল রানুর মতো
দেখাচ্ছে।"
সেই রানুদের বাড়িওয়ালার মেয়ে নীলু।
মিসির আলি তার ঠিকানা নেননা। যার ফলে
তার বাড়ি খুজেঁ পাননা। নীলু এ কথা জানে।
কিভাবে জানে সেটাই রহস্য!
নীলুরা দুবোন ছোট বোনের বিয়ে হয়ে
বিদেশে সেটেলমেন্ট করছে। এদিকে নীলুকে
পাত্র পক্ষ দেখতে এসে বিয়ে ভেঙ্গে যায়
তার জীবনের ব্যাখাতীত ঘটনার জন্য। তার
বাবা চায় মেয়ের স্বাভাবিক জীবন সংসার।
মিসির আলি মেডিকেল ছাত্র ফিরোজ এর
কাউন্সেলিং করেন। ফিরোজ এর সমস্যা শুরু
হয় দু বছর আগে বন্ধুর জমিদার টাইপ বাড়িতে
যাবার পর থেকে। তার বন্ধু আজমল ফিরোজ
কে নিজ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য নিয়ে যায়।
তার বোন রূপসী তবে এক পা নষ্ট পোলিও
হবার কারণে।
এক এক সময় ফিরোজ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু
করে লোহার রড সাথে রাখে। এমনকি এক
সময় তাকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখা হলেও
বেরিয়ে যায়। খুনের ঘটনা ঘটে।
আরেকটি চরিত্র হানিফা। এক ঝড়ের রাতে
ছোট্ট মেয়ে মিসির আলির ফ্লাটে দেখা
যায়। বৃষ্টিতে ভিজে জবুথবু অবস্থা। মিসির
আলি মেয়েটিকে গৃহের কাজের জন্য রাখে।
অবশ্য স্নেহ করে অত্যাধিক। মেয়েটির অসুখ
হলে নামী হাসপাতালে চিকিৎসা করান।
মিসির আলীর ধারণা মেয়েটি অবস্থাপন্ন
পরিবারের হারিয়ে যাওয়া আদুরে কন্যা। এক
ছেলেকে নিযুক্ত করেন হারিয়ে যাওয়া
মেয়ের সংবাদ খোঁজ করার জন্য।
ফিরোজের বন্ধুর বাড়িতে খোঁজ নিতে, তথ্য
সংগ্রহ করতে যান মিসির আলী। তারপর
একদিন নীলু জানতে পারে মিসির আলির
ভীষণ বিপদ। তাই তার ঠিকানায় বিপদ হতে
সাবধান করে চিঠি পাঠায়। ফিরোজ কে
তালাবদ্ধ করার পর, পুলিশের নিরাপত্তা
দেবার পরও রাস্তায় খুনের ঘটনা ঘটে।
মিসির আলি চল্লিশোর্ধ্ব বয়স। তিনি মনে
মনে নীলুকে পছন্দ করে। নীলুও পছন্দ করে
তাকে।
তাদের কি দেখা হবে কোনদিন?
হানিফা নামক মেয়েটি যার প্রকৃত নাম ইমা
সে কি কখনও নিজ পরিবারের কাছে ফিরে
যেতে পারবে?
নীলুর সাথে যে দেবীর বসবাস সে কি
কোনো অসাধ্য সাধন করবে?
জানতে হলে অবশ্যই পড়তে হবে "নিশীথিনী।
"

প্রিয় উক্তি :

বুদ্ধিমান কেউ ভালোমানুষ হতে পারে না।

ভালোমানুষেরা বোকাসোকা ধরনের হয়।

Friday, April 3, 2020

Bangla kobita || harano din - হারানো দিন || Fariha Tabassum

হারানো দিন 

- ফারিহা তাবাসসুম 

এখন তো আর বসে না রোজ
গল্প বলার আসর
ছোট্ট শিশু সাজায় না আর
সুসজ্জিত বাসর।

সকাল হতেই হাতে আসে
ব্যাগটা ভর্তি বই
আগের মতো পায় না খোকা
মনের মতো সই।

খেলার সাথী হয়না কেউ আর
সবাই এখন ব্যস্ত
সকাল সকাল পড়তেই হবে
করে দিছে ন্যস্ত।

শৈশব এখন হয়না মধুর
পায় না আগের স্বাদ
পড়ায় খোকা ব্যস্ত এখন
খেলা ধূলা বাদ।

Lost Day

-Fariha Tabassum

Rose is not sitting now Story
 telling room Little children do not dress anymore
Well-equipped baser.


Morning comes in handy
The bag is filled with books
The baby does not get the same as before
 Like a sign.


No one is playing
Everyone is busy now
 Must read in the morning
Doing vest.


Childhood is no longer sweet
 It does not get the previous taste
The kid is busy reading
 Dust off the game.

Thursday, April 2, 2020

Book Review || kobi -কবি|| Humayun Ahmed

উপন্যাস : কবি 

ঔপন্যাসিক : হুমায়ূন আহমেদ 

প্রকাশনী : কাকলী
মুদ্রিত মূল্য : ৩০০ টাকা

নান্দনিক কথা-সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের তুমুল জনপ্রিয় এবং পাঠক-নন্দিত উপন্যাস "কবি" I"কবি" উপন্যাসটি পাঠ করেননি এমন কোন হুমায়ূন-ভক্ত বোধকরি খুঁজে পাওয়া দুস্কর Iবাংলা সাহিত্যের অন্যতম কালজয়ী ঔপন্যাসিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় "কবি" নামে কালজয়ী একটা উপন্যাস সৃষ্টি করেছিলেন,সেই বিষয়টা মাথায় রেখে একই নামে হুমায়ূন আহমেদ তাঁর উপন্যাসের নামকরণ করেছেন Iসুতরাং "কবি" উপন্যাস প্রসঙ্গে হুমায়ূন আহমেদ কতটা আত্মবিশ্বাসী এবং আত্মপ্রত্যয়ী ছিলেন তা সহজেই অনুমেয় Iউপন্যাসটিতে তিনজন বন্ধু আতাহার , সাজ্জাদ এবং মজিদের কবি সত্তার স্বপ্ন-বুননের গল্প বিধৃত হয়েছে Iমূলত এটি জীবনভাবনার কাঙ্খিত বোধকে স্পর্শ করার গল্প I

উপন্যাসের ফ্ল্যাপে ঔপন্যাসিক জানিয়েছেন : "কবি - জোছনার ফুল ধরার গল্প Iমহান বোধকে স্পর্শ করার আকাঙ্খার গল্প Iজীবনকে দেখা এবং না দেখার গল্প I"

উপন্যাস পাঠ শেষে আমার কেবলই মনে হলো,একটি চরিত্র ব্যতীত আর কেউই এই জোছনার ফুল ধরতে পারেননি Iসবাইই জাগতিক কামনা-বাসনার ছায়াসঙ্গী হয়ে জীবনকে নিঃশেষ করেছেন সময়ের প্রেক্ষাপটে Iকেবলমাত্র যে চরিত্রটি জোছনার ফুল ছুঁয়েছে তার নাম "সাবেরা",যাকে আমরা সাজ্জাদের মা হিসেবে জানি Iএকজন নারীর খামখেয়ালিপনার মাশুল যে তার পরিবারকে গুনতে হয়,"কবি" উপন্যাসে তার জ্বলজ্বলে প্রমাণ বিদ্যমান Iতবুও বলবো,ব্যক্তিস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছিলেন বলেই তো সাবেরা জোছনার ফুলকে ধরতে পেরেছেন Iপ্রচন্ড উচ্ছল একজন নারী কখনো একজন নিস্পৃহ মানুষের সংসারে প্রাণখুলে শ্বাস নিতে সক্ষম হবেনা ,সাবেরার ক্ষেত্রেও এমনটি ঘটেছিল Iনিবিড় পাঠ-পরিচর্যায় নিশ্চই পাঠকের বিষয়টা বুঝে নিতে কোন অসুবিধে হয়নি I

বন্ধুদের মধ্যে মজিদ চরিত্রটিকে পাই আমরা উপন্যাসের প্রায় শেষ পর্যায়ে Iকিনতু পুরো উপন্যাস জুড়েই তার পরোক্ষ উপস্থিতি বিদ্যমান Iমূলত সাজ্জাদ এবং আতাহার তাদের স্মৃতিচারণে প্রতিনিয়ত মজিদকে প্রকাশ করেছে Iসুতরাং উপন্যাসে উপস্থিত না থেকেও পাঠকের কাছে মজিদ একেবারেই স্বচ্ছভাবে চিত্রায়িত ছিল Iএখানেই লেখকের মুন্সিয়ানা প্রকট হয়ে উঠেছে Iনেত্রকোনা গার্লস কলেজের ইসলামের ইতিহাসের শিক্ষক আব্দুল মজিদকে আমরা যখন দেখি তখন সে একজন নৈঃশব্দবতীর প্রেমে বুঁদ হয়ে আছে I

আতাহারের তীব্র কবি-সত্তার পরিচয় পাই উপন্যাসের ২৭০ তম পৃষ্ঠায় Iযখন ছোটভাই ফরহাদ তাকে প্রশ্ন করে ,"ভাইয়া,তুমি আমেরিকা যাবে না ?"
আতাহার বলে ,"যাব,তুষারপাত দেখার জন্য বেড়াতে যাব Iদেশ ছেড়ে যাব না Iআমি হচ্ছি এই দেশের একজন কবি Iকবিরা দেশের আত্মা Iদেশ ছেড়ে আত্মা যাবে কী ভাবে ?"

সাজ্জাদের পিতা হোসেন সাহেব এবং আতাহারের পিতা রশিদ সাহেব দুজনই বয়স এবং অভিজ্ঞতার ভারে নুয়ে পড়া প্রাণ I তাদের জীবনের এই সময়টা কাটে প্রচন্ড এক নিঃসঙ্গতার অতলে Iআশপাশের তরুণ প্রাণগুলো তাদেরকে এড়িয়ে চলে Iস্বপ্রণোদিত হয়ে গল্পের ঝাঁপি মেলে তাদের পাশে এসে কেউ কাঁধে হাত রাখে না Iলেখক আমাদের সমাজের এই বাস্তব দিকটা এই দুটো মানুষের কার্যকলাপের মধ্য দিয়ে তুলে ধরেছেন Iআমরা চাইলেই আমাদের মূল্যবান অকেজো সময় থেকে তাদেরকে কিছুটা সময় দিতেই পারি , এটাই হোক উপন্যাস থেকে কুড়িয়ে নেয়া আমাদের শিক্ষার অন্যতম দিক I

মানুষের জীবন কতটা বিচিত্র,বেঁচে থাকার সাধ কতটা তীব্র সেটার প্রকাশ দেখতে পাই "পরিমল" চরিত্রের সামান্য উপস্থিতিতে Iচালচুলোহীন আতাহার এক পর্যায়ে তার মামার আশ্রয় গ্রহণ করে এবং মামার অফিসের ম্যানেজার পরিমল বাবু তার সাথে রাতে ঘুমান Iউল্লেখ্য,তিনি প্রচন্ডভাবে রাত-কাশি রোগে আক্রান্ত , অর্থাৎ কাশির দমক কেবল রাতেই প্রকটিত হয় Iকাশির দমকে তিনি সারারাত ঘুমাতে পারেন না,হাঁসফাঁস করেন আর তার দীর্ঘ জীবনের জন্য আতাহারের কাছে আক্ষেপ প্রকাশ করেন Iবলেন - "জীবনটা ছোট হলে বাঁচতাম !" কিনতু প্রচন্ড গরমে আতাহার যখন সিলিং ফ্যান চালিয়ে একটু আরামে ঘুমাতে চায়,তখন পরিমল বাবুর উক্তি - "বাতাসে বুকে ঠান্ডা বসে যায় Iঠান্ডা একবার বসে গেলে আমি আর বাঁচব না ব্রাদার I" অর্থাৎ এই দীর্ঘ কষ্টকর জীবন থেকে তিনি মুক্তি চান আবার পরক্ষণেই বেঁচে থাকার তীব্রতা প্রকাশ করেন Iএখানেই হুমায়ূন আহমেদ তারাশঙ্করের "কবি" উপন্যাসের সেই বিখ্যাত লাইনটা তুলে ধরেছেন "জীবন এত ছোট কেনে?-- কে জানে কোনটা সত্য Iজীবন-মৃত্যুর এই হিসেবের খেলাঘর মেলানো বড় দুস্কর I

 পরিশেষে আমি উপন্যাসে উল্লেখিত তিনজন কবি চরিত্র প্রসঙ্গে কয়েকটি লাইন জুড়ে দিতে চাই :
"নৈঃশব্দ্যবতীতেই হলো কারো কবি সত্তার মৃত্যু
কেউ বা কবিতা ছেড়ে সুখ খুঁজে নিল আফিং-এ
সফল হলো যে সে-ও জীবন যুদ্ধে দিনশেষে ব্যর্থ"
তবে কী কবি কেবলই ব্যর্থদের উপাখ্যান ?

তিনজনই তো কবিতা লেখে,অথচ ব্যর্থ জীবনের বোঝা কাঁধে নিয়ে কবিতার সুখ ধরা দেয় একজনের হাতে Iকে সে ? উত্তরটা জানতে হলে এখনই হাতে তুলে নিন "কবি"I মূল রহস্যের জট আপনাদেরকেই খুলতে হবে ।



Novel: kobi

Novelist: Humayun Ahmed

Publication: kakolie
Printed Price: 300Tk


To find no Humayun-devotee Boddakari who has not read the novel "Poet" I "Poet" by aesthetic talk-writer Humayun Ahmed, Tarshankar Bandy, one of the most prolific novels of Bangla literature, made a novel called "Poet". Keeping this in mind, Humayun Ahmed named his novel.So it is easy to imagine how confident and confident Humayun Ahmed was in the context of the novel "Poet". In the novel, the story of dreaming of the poet Sattar of three friends Athar, Sajjad and Majid is written. It is basically a story about touching the desired feeling of life.


In the novel's flap, the novelist states: "The poet - the story of catching flowers. I want to touch the great feeling. I am the story of seeing and not seeing life.


At the end of the novel, I was only thinking that no one but the character could capture the flower of this passion. There is evidence of his glow in the novel "Poet", which is a poignant excuse for his family.I will say, however, that Sabre was able to capture the flower of the essence because of her personal preference. A woman who was extremely uptight would never be able to breathe deeply into the world of an inferior man.



We find the character of Majid among friends at the very end of the novel, but his indirect presence is present throughout the novel. Originally, Sajjad and Attaha have always expressed their memory in their memory. Sheik of history Abdul Majid we see a man he has become intoxicated I love naihsabdabatira.


Athar's intense poet-figure is identified on page 28 of the novel. When younger brother Farhad asks him, "Brother, will you not go to America?" Atahara says, "I will go to visit the snowfall. I will not leave the country. I am a poet of this country. The spirit of the poets of the country. How can the soul leave the country?"


Sajjad's father Hussain Saheb and Atta's father Rashid Saheb are both life and death experiences. In this time of their lives they are in a state of utter loneliness. The real side is the activity of these two people.If we want to, we can give them some time from our precious time, which is one of the aspects of our education.


In the slightest presence of the character "Pirmal" I see his uncle's asylum at one point, and his uncle's manager, Nirmal Babu, sleeps with him at night. Cough flashes only occur at nigh.could not sleep at night, coughing and coughing at Attaah for his long life. But when Atahara wants to sleep a little comfortably with a ceiling fan in the heat of the heat, Pramil Babu says - "The chest sits cold in the air. Once I sit down, I will not live again. Brothe.That is, he wants to get rid of this long troubled life and expresses the urgency of survival soon afterwards. This is where Humayun Ahmed points out that famous line from Tarashankar's "Poet" novel "Why is life so short? - Who knows what is true.


Finally I want to add a few lines to the character of the three j poets mentioned in the novel: "In silence is the death of some poet Someone left the poem and found happiness in Afing Successful that he and his life failed at the end of the war. " But what poet is only the story of the failed?


All three write poems, but the burden of a failing life is to hold the happiness of poetry in one's hands. Who is it? To find out the answer, hand over the "poet" right now. You have to open the secret of the original mystery.


Wednesday, April 1, 2020

How to maintain our Nutritious food everyday || Healthy Life 💖

Nutritious food Necessary for health


Busy city, busy life and busy times throughout the day. In busy life we ​​run together. From morning to noon, busy, and from noon to dusk, but work does not leave us behind. Sometimes work stress is such that we have to stay home at night.. And in such busyness we forget about our bodies, and knowingly or unknowingly neglect our health. But the saying that "health is the key to all happiness" is true. However, we do not get any happiness from the busy. I get very tired in the busyness. And fatigue goes away only when we do the eating right.

Smoke ash !! What to eat in such a hurry or in the morning !! This is a picture of our morning routine. Nobody eats properly in the morning. Or do I have breakfast at noon and eat lunch at noon. At 3/4 pm. However, it is okay. No, it's not okay at all.



Almost all of us have a common problem, obesity or obesity. Many complain I eat too little, why is it too fat ?? Many people say that I eat only at noon, why I am getting fat. Let's say brothers, in simple terms, most people are fat enough to eat breakfast at the right time. Who will make breakfast in the morning again in the morning, but there are problems. Many do not eat breakfast for fear of rooting. Hot water is all you can do, right? Give one egg in hot water and it will boil itself in 5 minutes. Then make it.One egg egg and one glass of milk are the most healthy snacks. Rescue breakfast at 5 or 7 o'clock in the morning. Then the body and health will be fine.



In the words, eating in the morning is like a king, in the afternoon like a people, and like a beggar at night. Yes, we will try to eat very full in the morning. Take one hand in the morning and one in the morning. One whole egg, one glass of cow's milk and two pieces of bread. And stomach peace is the world's peace. If we get hungry in the middle of it, we can eat fruit. We can eat juice. If you want to have breakfast in the morning and eat something healthy with it.And if you want to eat something like vegetable or vegetable, then eat a little oil. Do not fry the vegetable for too long. Stir it and mix it with egg.



What if you do not have a little solder at lunch ?? Oh !! Such is the story of all Bengalis. But what we do know is excess acidity can be acidity. We have to use very little oil spices for that. We are not accustomed to eating Bengalis due to low oil spices. What if I changed the cooking oil to the mustard oil?Yes, of course, because cholesterol is low in soybeans. It is better if you use olive oil. If you reduce the spices in the veins, then our body will be much better. .


Stay tuned for the rest of the night. Therefore, I always eat lightly at night and it can be lightly eaten bread. But not rice. And playing cucumber is even better. The excess fat will be cut off.


Stay tuned for the rest of the night. Therefore, I always eat lightly at night and it can be lightly eaten bread. But not rice. And playing cucumber is even better. The excess fat will be cut off.

Stay tuned for the rest of the night. Therefore, I always eat lightly at night and it can be lightly eaten bread. But not rice. And playing cucumber is even better. The excess fat will be cut off.


There is no alternative to water to stay healthy. If you drink too much water, you will be healthy. Stay healthy. I will be good and try to keep others good.

There is no alternative to water to stay healthy. If you drink too much water, you will be healthy. Stay healthy. I will be good and try to keep others good.


  • সুস্থ থাকি ব্যস্ততার মাঝেও।

ব্যস্ত শহর, ব্যস্ত জীবন আর ব্যস্ততায় কাটে সারাবেলা।ব্যস্তময় জীবনে আমরা একাধারে ছোটাছুটি করি।সকাল থেকে দুপুর গড়ায় ব্যস্ততায়,আর দুপুর থেকে সন্ধ্যা গড়িয়ে যায়,কিন্তু কাজ আমাদের পিছু ছাড়ে না।কখনো তো কাজের চাপ এতটাই থাকে বাসায় এসে রাত অব্দি করতে হয়।আর এতো ব্যস্ততার মধ্যে আমরা ভুলে যাই আমাদের শরীরের কথা, আর জেনে কিংবা অজানায় অবহেলা করি আমাদের স্বাস্থ্যকে।কিন্তু প্রবাদ যে আছে,"স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল "তা তো সত্যি কথা। তবে আমরা ব্যস্ত থেকে সুখ পাই না কেউই। ব্যস্ততাতে অনেক ক্লান্ত হয়ে যাই।আর ক্লান্ততা যায় তখনই যখন আমরা খাওয়া দাওয়া ঠিক মতো করি।

ধুর ছাই!! এত তাড়ার মধ্যে  কি খাওয়া যায় নাকি সকালে!! এটা আমাদের সকালের  নিত্যকার চিত্র।কেউ-ই সকালে ঠিক মতো খাই না।কিংবা নাস্তা করি দুপুরের সময় আবার দুপুরে খাওয়া খাই বেলা পার হবার সময়। ৩/৪ টায়। তবে কি তা ঠিক হচ্ছে। না ভাই একদমই ঠিক হচ্ছে না তা।

আমাদের প্রায় সবারই একটা কমন সমস্যা আছে,স্থুলতা কিংবা মোটা হয়ে যাওয়া।অনেকের অভিযোগ আমি খুব কম খাই,তাও মোটা হচ্ছি কেন?? আবার অনেকে বলে আমি তো শুধু দুপুরে খাই  তাও কেন মোটা হচ্ছি। চলেন ভাই,সহজ কথায় বলি,বেশিরভাগ মানুষ মোটা হয় সকালের নাশতা ঠিক সময়ে না খাওয়াতে। সকাল বেলা আবার এতো ভোরে কে নাশতা বানাবে তাও কিন্তু সমস্যা থাকে। মুলত বানানোর ভয়েই অনেকে খায় না নাশতা। গরম পানিতো সবাই করতে পারি, তাই না??গরম পানিতে একটা ডিম দিয়ে দিন আর তা নিজেই সিদ্ধ হয়ে যাবে ১০ মিনিটে।আর ততক্ষণে তৈরি হয়ে নিন।একটা ডিম সিদ্ধ আর এক গ্লাস দুধ সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যবান নাশতা।সকাল ৮টা বা ৯ টার মধ্যে নাশতা সেরে নিন।তবে ঠিক থাকবে শরীর আর স্বাস্থ্য। 


কথায় বলে, সকালে খেতে হয় রাজার মতো, দুপুরে প্রজার মতো আর রাতে ভিখারির মতো।। হ্যাঁ আমরা চেষ্টা করবো সকালে খুব পেট ভরে খেতে হবে।একটু সময় হাতে নিয়ে সকাল বেলা খাবো।একটা সিদ্ধ ডিম, এক গ্লাস গরুর দুধ আর দুই পিস পাউরুটি।ব্যাস,খুব ভালো থাকবেন সারাদিন। আর পেট শান্তি তো দুনিয়া শান্তি।আর এর মাঝে খিদা পেলে আমরা ফল খেতে পারি।জুস খেতে পারি।আর সকালের নাশতাতে যদি সময় নিয়ে করতে চান আর তার সাথে স্বাস্থ্যকর কিছু তবে রুটি খেতে পারেন।সকাল সকাল পরোটা এভোয়েড করাই ভালো। আর সবজি কিংবা ভাজি জাতীয় কিছু খেতে চান তবে খুব অল্প তেলে খাওয়া খাবেন।আর সবজিকে বেশিক্ষন তেলে ভাজবেননা।সিদ্ধ করে তার সাথে ডিম মিশিয়ে দিবেন।খারাপ লাগব না আর ভালো থাকবেন,এসিডিটির সমস্যা অনেকটা কমে যাবে।

দুপুরের খাওয়াতে একটু ঝাল না হলে কি চলে নাকি?? আহা!! এতো সব বাঙালীরই গল্প। কিন্তু আমরা কি জানি অতিরিক্ত ঝালে এসিডিটি হতে পারে।আমাদের তার জন্য খুব কম তেল মশলা ব্যবহার করতে হবে।হয়তো তেল কম দিয়ে মশলা কম দিয়ে আমরা বাঙালীরা খেতে অভ্যবস্ত নই।তবে কোলেস্টেরল যাতে কম থাকে খাওয়াতে সে ব্যবস্থা করা জরুরি। রান্নার তেলটা যদি পাল্টিয়ে সরিষার তেলে করি তবে কেমন হবে?হ্যাঁ অবশ্যই ভালো হবে কারণ তাতে কোলেস্টেরল কম সয়াবিন থেকে।আর অলিভ ওয়েল ব্যবহার করতে পারলে আরও ভালো হয়।রান্নাতে যদি মশলা কমিয়ে দিই তবে আমাদের শরীর অনেক ভালো থাকবে।আদা আমাদের হজমের জন্য অনেক উপকারী যদি রান্নাতে আদা একটু বাড়িয়ে দিই তবে তা অনেক ভালো রাখবে।

রইলো বাকি রাতের খাওয়ার।রাতে কম খাওয়াই ভালো। তাই রাতে সব সময় হালকা খাওয়া খাবো আর সে হালকা খাওয়া রুটিও হতে পারে।তবে ভাত না।আর আমরা চেষ্টা করবো ঘুমাতে যাওয়ার দুই ঘন্টা আগে আমরা খাওয়া খেয়েনি আর রাতে খাওয়ার পর ফল খেতে চেষ্টা করবো। আর শসা খেলে তো আরও ভালো। বাড়তি চর্বি গুলো কেটে যাবে।

সুস্থ থাকতে পানির কোনো বিকল্প নেই।বেশি বেশি পানি পান করলে সুস্থ থাকবো।সতেজ থাকবো।নিজে ভালো থাকবো এবং অন্যকে ভালো রাখার চেষ্টা করবো।


Mobile Photographs Idea || Life Story - Everyday life || Tabassum Tushin

Mobile Photographs idea  Equipment :- 1.Earphone 2.Any book  3.Some Flowers  4.Leaf  5.SmartPhone