Bangla Love Story part-2
ভালোবাসার গল্প পর্ব-২
একদিন ক্লাস ছুটির পর বের হচ্ছিলাম হঠাৎ করে কে যেনো হাতটা চেপে ধরলো, পিছে ঘুরে দেখি শয়তানটা হাসছে। চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছি আমি, ও আমার দিকে তাকিয়েই হাসছে।হাত ঝেরে ছাড়ার চেস্টা করছি ও আমাকে বললো যে চলো ফুচকা খেতে যাই। কেন জানি সে দিন তাকে আর না করতে পারিনি। চলে গেলাম দুই জন মিলে। এর পর অনেকক্ষন বসে কথা বললাম। সে ফোন নাম্বার চাইলো আর আমিও দিয়ে দিসি। এরপর থেকে আমাদের ডেইলি কথা হতো ফোনে, সরাসরি সব রকম করে বলতাম।
এরমধ্যে অনেকবার সে প্রপোজ করেছে, কোচিং ফাঁকি দিয়ে অনেক ঘুরতে গেছি, এভাবে প্রায় ২ বছর কেটে গেছে। কিন্তু বাসার কেউ টের পায়নি, কারণ খুব সতর্কতার সাথে সব কিছু সামাল দিতাম। এর মধ্যেই সে আমার অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে।তার সাথে কথা না বলে কখনও থাকতেও পারতাম না।
সবকিছু সাজানোই কাটতে লাগলো।কিন্তু আর কতদিন এভাবে কাটবে? সুখে আর কতদিন কাটবে? পরিবারের বড় মেয়ে হওয়ার সুবাদে বিয়ের জন্য আলোচনা শুরু হলো, আর বিয়ের জন্য বয়সও ছিল একদম পারফেক্ট। তাকে বিয়ের কথা বললাম, কিন্তু তার মধ্যে তা নিয়ে কোনো হেলদোলও ছিলো না। সসমবয়েসী হওয়ায় সেও পড়ছে তখনো। তাকে জিজ্ঞেস করলাম আমার এখন কি করা উচিত? সে তার উত্তরে বলল আমি কি করে জানি? হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে আছি।সব কিছু যেন অন্ধকার হয়ে গেলো। অনেকটা সময় দাঁড়িয়ে ছিলাম তার সামনে তবে সে একটা কথাও বলল না। চলে গেলাম বাসায়। সেখানে গিয়ে দেখি খুব হৈচৈ । ঘরে ঢুকতেই সবাই আমাকে দেখে অন্য রকম করে উঠলো। সব কিছু অগ্রাহ্য করে করে নিজের রুমে গিয়ে দরজা আটকে দিলাম। খুব কাঁদছি কারণ এ রকম পরিস্থিতির জন্য কখনোই রেডি ছিলাম না। নিজের মনকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলাম হয়তো শোয়েব অভিমান করে এসব বলছে। মনের কথা ছিলো না।তাকে কল করতে যাব এমন সময় দরজা ধাক্কা দিচ্ছে মা।দরজা খুলে দেখি মা খুব হাসি মুখে দাঁড়িয়ে আছেন। আমাকে দেখে বলল মন খারাপ নাকি তোর,? বললাম যে না তেমন কিছু না মাথাটা ধরেছে শুধু। মা বলল খাওয়া দাওয়া করে শুয়ে পড়,সন্ধ্যায় পাত্র পক্ষরা আজ দেখতে আসবে। ছেলে ডাক্তার। ফ্যামিলিও ভালো। মায়ের কথা শুনে আকাশ থেকে পড়লাম। বললাম এত তাড়াহুড়োর কি কোন কারণ ছিলো? আমার পড়াটা শেষ হউক না। মা বলল বিয়ের পরো পড়াবে তারা,তোর বাবার সাথে কথা হলো তো। আমি বলছিলাম মা কে, কিন্তু মা আমি এখন করতে চাই না। মা বলল বিয়ের আগে সবাই এ রকম বলে কিন্তু পরে ঠিক হয়ে যায়।মাকে শোয়েবএর কথাও বলতে পারছিলাম না কারণ সে কিছু ভাবছে না আর এখনও পড়ছে।
মা বের হওয়ার পর আমি সাথে সাথে শোয়েবকে কল দিলাম । প্রথমবারে ধরলো না , আবার দিলাম, তারপর ধরলো। কাঁদো কাঁদো গলায় বললাম কি করবো আমি? আজতো দেখতে আসছে আমাকে। সে বললো,ও আচ্ছা।
আমি বললাম তাকে আমি কি বলবো বাবাকে তোমার কথা? উত্তরে বলল সে,বলে কি হবে? তোমাকে তো আমি বিয়ে করতে পারবো না। তোমার ফ্যামিলি মেনে নিবে না এ সম্পর্ক আর আমার ফ্যামিলিতো না ই। আর সে আমাকে এ ও বললো আমি যাতে তাকে আর কলও না দিই।এ কথা বলে কেটে দিলো। আমি সাথে সাথে আবার বেক করলাম নম্বর বিজি। সে আমার নম্বর রিজেক্ট করে দিলো। ভাবতে লাগলাম এক নিমিষেই সে সব ভুলে গেছে!!
১০ দিন পর বিয়ের দিন ঠিক হলো। তার মধ্যে হাজার লক্ষ বার কল করেছি কিন্তু একই অবস্থা। বিয়ের দিন চলে আসলো। তাও তাকে কল দিচ্ছি। এক মুহুর্তে দেখি তার কল এসেছে ।। তখন আমি কনের সাজে প্রায় রেডি।তার কল ধরে বললাম, শোয়েব তোমার সিদ্ধান্ত কি চেইঞ্জ করেছো নাকি? সে বললো, কনে সাজে সেজেগুজে এখন কি আসবা নাকি? আমি বললাম, হ্যাঁ তুমি একবার বলো আমি আসবো। আমি সত্যি অনেক ভালোবাসি তোমাকে। সে আমাকে বললো, তোমার বিয়ের জন্য অনেক শুভ কামনা রইল। আমি তো তোমাকে চাইছি না।আর কখনো কলও দিও না।ভালো থেকো। এ কথা বলে রেখে দিলো আর সে এক মুহুর্তে আমাদের ২ বছরের সম্পর্কের সব ভুলে গেছে।
আজ আমি গৃহীনি।আমার স্বামী বিয়ের পর পড়াতে চেয়েছেন কিন্তু আর পাড়িনি তার উপর রাগ করে। খুব সুখেই আছি এখন। হয়তো সে দিন শোয়েবের কাছে গেলেও এত সুখী হতাম না, তবে মানিয়ে নিতে খুব কষ্ট হয়েছে। সত্যি সত্যিই ভালোবেসেছিল। ঘড়িতে দেখি রাত ৩ টা ১৫। মিনু গভীর ঘুমে জড়িয়ে আছে। আমিও ঘুমিয়ে পাড়লাম।
এরমধ্যে অনেকবার সে প্রপোজ করেছে, কোচিং ফাঁকি দিয়ে অনেক ঘুরতে গেছি, এভাবে প্রায় ২ বছর কেটে গেছে। কিন্তু বাসার কেউ টের পায়নি, কারণ খুব সতর্কতার সাথে সব কিছু সামাল দিতাম। এর মধ্যেই সে আমার অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে।তার সাথে কথা না বলে কখনও থাকতেও পারতাম না।
সবকিছু সাজানোই কাটতে লাগলো।কিন্তু আর কতদিন এভাবে কাটবে? সুখে আর কতদিন কাটবে? পরিবারের বড় মেয়ে হওয়ার সুবাদে বিয়ের জন্য আলোচনা শুরু হলো, আর বিয়ের জন্য বয়সও ছিল একদম পারফেক্ট। তাকে বিয়ের কথা বললাম, কিন্তু তার মধ্যে তা নিয়ে কোনো হেলদোলও ছিলো না। সসমবয়েসী হওয়ায় সেও পড়ছে তখনো। তাকে জিজ্ঞেস করলাম আমার এখন কি করা উচিত? সে তার উত্তরে বলল আমি কি করে জানি? হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে আছি।সব কিছু যেন অন্ধকার হয়ে গেলো। অনেকটা সময় দাঁড়িয়ে ছিলাম তার সামনে তবে সে একটা কথাও বলল না। চলে গেলাম বাসায়। সেখানে গিয়ে দেখি খুব হৈচৈ । ঘরে ঢুকতেই সবাই আমাকে দেখে অন্য রকম করে উঠলো। সব কিছু অগ্রাহ্য করে করে নিজের রুমে গিয়ে দরজা আটকে দিলাম। খুব কাঁদছি কারণ এ রকম পরিস্থিতির জন্য কখনোই রেডি ছিলাম না। নিজের মনকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলাম হয়তো শোয়েব অভিমান করে এসব বলছে। মনের কথা ছিলো না।তাকে কল করতে যাব এমন সময় দরজা ধাক্কা দিচ্ছে মা।দরজা খুলে দেখি মা খুব হাসি মুখে দাঁড়িয়ে আছেন। আমাকে দেখে বলল মন খারাপ নাকি তোর,? বললাম যে না তেমন কিছু না মাথাটা ধরেছে শুধু। মা বলল খাওয়া দাওয়া করে শুয়ে পড়,সন্ধ্যায় পাত্র পক্ষরা আজ দেখতে আসবে। ছেলে ডাক্তার। ফ্যামিলিও ভালো। মায়ের কথা শুনে আকাশ থেকে পড়লাম। বললাম এত তাড়াহুড়োর কি কোন কারণ ছিলো? আমার পড়াটা শেষ হউক না। মা বলল বিয়ের পরো পড়াবে তারা,তোর বাবার সাথে কথা হলো তো। আমি বলছিলাম মা কে, কিন্তু মা আমি এখন করতে চাই না। মা বলল বিয়ের আগে সবাই এ রকম বলে কিন্তু পরে ঠিক হয়ে যায়।মাকে শোয়েবএর কথাও বলতে পারছিলাম না কারণ সে কিছু ভাবছে না আর এখনও পড়ছে।
মা বের হওয়ার পর আমি সাথে সাথে শোয়েবকে কল দিলাম । প্রথমবারে ধরলো না , আবার দিলাম, তারপর ধরলো। কাঁদো কাঁদো গলায় বললাম কি করবো আমি? আজতো দেখতে আসছে আমাকে। সে বললো,ও আচ্ছা।
আমি বললাম তাকে আমি কি বলবো বাবাকে তোমার কথা? উত্তরে বলল সে,বলে কি হবে? তোমাকে তো আমি বিয়ে করতে পারবো না। তোমার ফ্যামিলি মেনে নিবে না এ সম্পর্ক আর আমার ফ্যামিলিতো না ই। আর সে আমাকে এ ও বললো আমি যাতে তাকে আর কলও না দিই।এ কথা বলে কেটে দিলো। আমি সাথে সাথে আবার বেক করলাম নম্বর বিজি। সে আমার নম্বর রিজেক্ট করে দিলো। ভাবতে লাগলাম এক নিমিষেই সে সব ভুলে গেছে!!
১০ দিন পর বিয়ের দিন ঠিক হলো। তার মধ্যে হাজার লক্ষ বার কল করেছি কিন্তু একই অবস্থা। বিয়ের দিন চলে আসলো। তাও তাকে কল দিচ্ছি। এক মুহুর্তে দেখি তার কল এসেছে ।। তখন আমি কনের সাজে প্রায় রেডি।তার কল ধরে বললাম, শোয়েব তোমার সিদ্ধান্ত কি চেইঞ্জ করেছো নাকি? সে বললো, কনে সাজে সেজেগুজে এখন কি আসবা নাকি? আমি বললাম, হ্যাঁ তুমি একবার বলো আমি আসবো। আমি সত্যি অনেক ভালোবাসি তোমাকে। সে আমাকে বললো, তোমার বিয়ের জন্য অনেক শুভ কামনা রইল। আমি তো তোমাকে চাইছি না।আর কখনো কলও দিও না।ভালো থেকো। এ কথা বলে রেখে দিলো আর সে এক মুহুর্তে আমাদের ২ বছরের সম্পর্কের সব ভুলে গেছে।
আজ আমি গৃহীনি।আমার স্বামী বিয়ের পর পড়াতে চেয়েছেন কিন্তু আর পাড়িনি তার উপর রাগ করে। খুব সুখেই আছি এখন। হয়তো সে দিন শোয়েবের কাছে গেলেও এত সুখী হতাম না, তবে মানিয়ে নিতে খুব কষ্ট হয়েছে। সত্যি সত্যিই ভালোবেসেছিল। ঘড়িতে দেখি রাত ৩ টা ১৫। মিনু গভীর ঘুমে জড়িয়ে আছে। আমিও ঘুমিয়ে পাড়লাম।

Dhorjjo aro baraite hobe
ReplyDeleteValo hoyeche
ReplyDeleteসুন্দর!!
ReplyDeleteThank you
Delete