উপন্যাস : নিশীথিনী
ঔপন্যাসিক :হুমায়ূন আহমেদ।
ধরণ : রহস্য, অলৌকিকশুরুতেই মিসির আলি কলেজে যাচ্ছেন
রিকশায়। ক্লাস নেবার জন্য, তবে
রিকশাচালক এতো দেরি করছে পৌছাতে।
বিরক্ত হয়ে নেমে ভাড়ার চেয়ে বেশি অর্থ
দেন। তার ধারণা " এরা অসুখী
মানুষ। নিজেদের ব্যক্তিগত যন্ত্রণা এরা–
অন্যদের ওপর চাপিয়ে দিতে চেষ্টা করে।"
ক্লাসে শুধুমাত্র একজন ঘোমটা দেওয়া
ছাত্রী। আলাপচারিতায় জানতে পারে সে
নীলু। খুব প্রয়োজনে মিসির আলীর সাথে
দেখা করতে এসেছে।
"
কোনোএক
বিচিত্র কারণে তাকে অবিকল রানুর মতো
দেখাচ্ছে।"
সেই রানুদের বাড়িওয়ালার মেয়ে নীলু।
মিসির আলি তার ঠিকানা নেননা। যার ফলে
তার বাড়ি খুজেঁ পাননা। নীলু এ কথা জানে।
কিভাবে জানে সেটাই রহস্য!
নীলুরা দুবোন ছোট বোনের বিয়ে হয়ে
বিদেশে সেটেলমেন্ট করছে। এদিকে নীলুকে
পাত্র পক্ষ দেখতে এসে বিয়ে ভেঙ্গে যায়
তার জীবনের ব্যাখাতীত ঘটনার জন্য। তার
বাবা চায় মেয়ের স্বাভাবিক জীবন সংসার।
মিসির আলি মেডিকেল ছাত্র ফিরোজ এর
কাউন্সেলিং করেন। ফিরোজ এর সমস্যা শুরু
হয় দু বছর আগে বন্ধুর জমিদার টাইপ বাড়িতে
যাবার পর থেকে। তার বন্ধু আজমল ফিরোজ
কে নিজ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য নিয়ে যায়।
তার বোন রূপসী তবে এক পা নষ্ট পোলিও
হবার কারণে।
এক এক সময় ফিরোজ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু
করে লোহার রড সাথে রাখে। এমনকি এক
সময় তাকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখা হলেও
বেরিয়ে যায়। খুনের ঘটনা ঘটে।
আরেকটি চরিত্র হানিফা। এক ঝড়ের রাতে
ছোট্ট মেয়ে মিসির আলির ফ্লাটে দেখা
যায়। বৃষ্টিতে ভিজে জবুথবু অবস্থা। মিসির
আলি মেয়েটিকে গৃহের কাজের জন্য রাখে।
অবশ্য স্নেহ করে অত্যাধিক। মেয়েটির অসুখ
হলে নামী হাসপাতালে চিকিৎসা করান।
মিসির আলীর ধারণা মেয়েটি অবস্থাপন্ন
পরিবারের হারিয়ে যাওয়া আদুরে কন্যা। এক
ছেলেকে নিযুক্ত করেন হারিয়ে যাওয়া
মেয়ের সংবাদ খোঁজ করার জন্য।
ফিরোজের বন্ধুর বাড়িতে খোঁজ নিতে, তথ্য
সংগ্রহ করতে যান মিসির আলী। তারপর
একদিন নীলু জানতে পারে মিসির আলির
ভীষণ বিপদ। তাই তার ঠিকানায় বিপদ হতে
সাবধান করে চিঠি পাঠায়। ফিরোজ কে
তালাবদ্ধ করার পর, পুলিশের নিরাপত্তা
দেবার পরও রাস্তায় খুনের ঘটনা ঘটে।
মিসির আলি চল্লিশোর্ধ্ব বয়স। তিনি মনে
মনে নীলুকে পছন্দ করে। নীলুও পছন্দ করে
তাকে।
তাদের কি দেখা হবে কোনদিন?
হানিফা নামক মেয়েটি যার প্রকৃত নাম ইমা
সে কি কখনও নিজ পরিবারের কাছে ফিরে
যেতে পারবে?
নীলুর সাথে যে দেবীর বসবাস সে কি
কোনো অসাধ্য সাধন করবে?
জানতে হলে অবশ্যই পড়তে হবে "নিশীথিনী।
"
Oreeee baba reee
ReplyDeleteVery nice book Review
ReplyDeleteThank you 😍😘
ReplyDelete