Internet Destroy our relations.
সম্পর্কগুলো মরিচা ধরছে ইন্টারনেটের ব্যবহারে।
এখন আমরা বিংশ শতাব্দীর মানুষ। আর এই সময়ে আমরা তাকেই বেশি আপডেটেড কিংবা মর্ডান বলে জানি যে যতবেশি ইন্টারনেটে সচল বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে সচল।সত্যি বলতে এ সময়ে আমরা ইন্টারনেট ছাড়া কিছু ভাবতে পারি না। এখন এমন মানুষ পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে যাদের কাছে স্মার্টফোন নেই,কিংবা তারা ইন্টারনেট সম্পর্কে অবগত নয়।
হ্যাঁ এটা সত্যি যে,তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে আমরা এইসব ছাড়া কিছুই ভাবতে পারি না।আর এই ইন্টারনেট আমাদের অনেক কিছুই দিয়েছে। নিমিশেই এক প্রান্তের খবর অন্য প্রান্তে নিতে সাহায্য করেছে। আমাদের নিত্যকার কাজকে করেছে আরও সংক্ষিপ্ত এবং উন্নত।ইন্টারনেটের জন্য আমরা খুব সহজেই সব কাজ ঘরে বসে করতে পারি।তবে আমরা কি জানি এর অনেক গুলো ভালো দিক থাকার সাথে সাথে কয়েকটি খারাপ দিকও রয়েছে। এই ইন্টারনেট আমাদেরকে যতটাই না বেগ দিয়েছে তারচেয়েও বেশি কেড়ে নিয়েছে আবেগ।
আমরা ইন্টারনেটের কল্যাণে সব কিছু আমাদের হাতের মুঠোয় পাই আর তার জন্য আমরা বেশিরভাগ সময়ই ঘরে থাকি।তার জন্য আমাদের সবাইকে সবসময় ঘর থেকে বের হতে হয় না আর তার সাথে আমাদের সামাজিক দুরত্ব দিন দিন বেড়েই চলছে। আমরা এখন প্রতিবেশীর সাথে সময় কাটাই না, কারো সাথে বসে কথা বলার ৫ মিনিট সময়ও হয়না এখন আমাদের।এমনকি পরিবারের মানুষের সাথেও আজ আর আড্ডা দেওয়াও হয় না। আমরা যে যার কক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকি।
সব রকম সুবিধাই যেহেতু ঘরে বসে পাওয়া যায় তাই আমরা এতেই পড়ে থাকি।আর এই মোবাইল ফোনের ক্ষতিকর রশ্মি আমাদের চোখের ক্ষতি করেই যাচ্ছে।যার জন্য এখন ছোট থেকে বয়স্ক সবারই চোখে ক্ষতি হচ্ছে।যে জায়গায় ৬০/৬৫ বছরেও মানুষের চোখে সমস্যা হতো না আর মোবাইল ফোনের ক্ষতিকর রশ্মির জন্য ৪/৫ বছরের শিশুও আক্রান্ত হয়ে পড়ছে চোখের নানা রকম সমস্যাতে।
যখন আমাদের ইন্টারনেট ছিল না তখন আমরা মানুষের বাড়িতে ঘুরতে যেতাম,পরিবারের প্রত্যেকটা সদস্যের সাথে সম্পর্ক অনেক ভালো ছিল,প্রত্যেক সদস্য একসাথে বসে খাওয়া খেতো আর এখন যে যার মতো থাকে।
আগেকার দিনে বন্ধুরা মিলে মাঠে নানান রকমের খেলা খেলতো যেমনঃ ফুটবল, কাবাডি,ক্রিকেট, গোল্লাছুট ইত্যাদি। তখন তাই সেসব দিনকারের মানুষ শারীরিক ভাবে অনেকে শক্তিশালী ছিলেন আর তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দিকে ব্যয় করছে। এখনকার ছেলেমেয়েরা ভিডিও গেমেস খেলে,সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম গুলোতে ব্যসে হয়ে যায়। আর তাতে তাদের হিতাহিত জ্ঞান লোপ পেয়ে যায়।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছেলেমেয়েরা অনেক বেশি আকৃষ্ট হয়ে থাকে। আর এতে সবচেয়ে বেশিক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।তারা ইন্টারনেটে এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ে পড়াতে মন দিতে পারে না।
আমরা প্রযুক্তিগত দিক থেকে যতটা উন্নত হচ্ছি সামাজিক ভাবে ততটাই পিছিয়ে যাচ্ছি।সম্পর্ক গুলো হয়ে পড়ছে ঠুঙ্ক।তাই আমাদের উচিত একটা নির্দিষ্ট সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গুলোতে সচল থাকি।আর তার সাথে পরিবারকে সময় দিই।
ইন্টারনেট মানুষকে প্রতিশোধের নেশায় মাতাল করে দেয় কখনো কখনো। তাই সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকাই ভালো
ReplyDeleteYes,you may be right but I'm not appreciate with you. You have to maintain your society as well as Your social media.
Deleteআপা মনি আপনিও একটু সামাজিক হবেন।
ReplyDeleteThanks for your concern
ReplyDeleteRight
ReplyDeleteWell said
ReplyDelete